নকলায় লটারির মাধ্যমে ১২৭৬ কৃষক বাছাইয়ের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক

সৃষ্টিবার্তা ডটকম

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯

খন্দকার জসিম উদ্দিন মিন্টু, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলায় সরকারি ভাবে চলতি মৌসুমের আমন ধান সংগ্রহের জন্য লটারির মাধ্যমে ১,২৭৬ জন আগ্রহী কৃষক বাছাইয়ের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সর্বশেষ ২৮ ডিসেম্বর শনিবার বানেশ্বরদী, চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ও পৌরসভার মোট ৩৫১ জন কৃষক বাছাই করা হয়। এতে বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ১০৬ জন, চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ১১০ জন ও পৌর এলাকার ১৩৫ জন কৃষক জনসম্মূখে লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হয়।

বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাজহারুল অনোয়ার মহব্বতের সভাপতিত্বে, চরঅষ্টধর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গোলম রব্বানীর সভাপতিত্বে এবং নকলা পৌরসভায় পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে লটারির মাধ্যমে আমন ধান দেওয়ার জন্য নিজ নিজ ইউনিয়ন ও পৌরসভার কৃষক বাছাই করা হয়।

বানেশ্বরদী ইউনিয়নের লটারি অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. লূৎফর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাফিজুল হক, বানেশ্বরদী ব্লকে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, চার শতাধিক কৃষক-কৃষাণী, ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ সদস্য, স্থানীয় গন্যমান্য, ইউনিয়ন-ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. লূৎফর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে নকলা উপজেলার ১,২৭৬ জন কৃষককে লটারির মাধ্যমে বাছাই করে, প্রতি জনের কাছ থেকে এক মেট্রিক টন করে মোট ১,২৭৬ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে- গনপদ্দী ইউনিয়নের ১৫০ জন, নকলা ইউনিয়নের ১৩৭ জন, উরফা ইউনিয়নের ১৫৪ জন, গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৬৭ জন, বানেশ্বরদী ইউনিয়নের ১০৬ জন, পাঠাকাটা ইউনিয়নের ১২৩ জন, টালকী ইউনিয়নের ১১৭ জন, চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ১১০ জন, চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ১৭৭ জন ও পৌরসভাধীন ১৩৫ জন কৃষক লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হয়েছে। এর আগে লটারিতে নির্ধারিত কৃষকদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে ধান সংগ্রহের কাজ চলছে।