ক্যাসিনোকাণ্ড; সেই এনু ও রুপন ৪ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক

সৃষ্টিবার্তা ডটকম

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২০

অর্থপাচার আইনের মামলায় রাজধানীর গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী আসামিদের রিমান্ডের এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের সহযোগী সানি মোস্তাফার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গত সোমবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এনু ও রুপন এবং তাদের সহযোগী সানিকে ৪০ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার করে সিআইডি।

এনু ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের শেয়ারহোল্ডার ও গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি। আর তার ভাই রুপন ছিলেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

এ দিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সূত্রাপুর থানার অর্থপাচার আইনের মামলায় রুপনের ১০ দিন এবং গোণ্ডারিয়া থানার অর্থপাচার আইনের মামলায় এনু ও সানির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

অপরদিকে আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নাকচ করে রিমান্ডের ওই আদেশ দেন।

ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযানের পর পরই এনু-রুপনের গেণ্ডারিয়ার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র্যািব। ওই সময় তাদের গ্রেফতার করা না গেলেও তাদের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গেণ্ডারিয়া, সূত্রাপুর ও ওয়ারী থানায় সাতটি মামলা হয়। অর্থপাচার আইনের চারটি মামলার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ওই দুই যুবলীগ নেতার দৃশ্যমান কোনো আয়ের উৎস না থাকলেও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাদের ১৯টি বাড়ি ও একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে।

এ দিকে এনু ও রুপনকে গ্রেফতারের পর তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট (গ্রেফতার দেখানো) আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালত আগামী ১৯ জানুয়ারি আসামিদের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এনু ও রুপনের বিরুদ্ধে গত ২৩ অক্টোবর পৃথক দুই মামলা দায়ের করে দুদক। এনুর বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

অপরদিকে ১৪ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রুপনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। #যুগান্তর