গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সহ সকল বিল মওকুফের জন্য সরকারের প্রতি আহবান

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক

সৃষ্টিবার্তা ডটকম

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২০

সময় যতো বাড়ছে, করোনার থাবা তত দীর্ঘ হচ্ছে। বৈশ্বিক এই দুর্যোগের ক্রান্তিকালে আমাদের জনজীবনের সঙ্কট বেড়ে আর্থিক চাকা যেন থমকে গেছে। এই দুর্যোগ কবে কাটবে তা আমাদের অজানা।

হয়তো বা মানব জীবন স্বাভাবিক রূপে ফিরবে কিনা তাও অনিশ্চিত প্রায়। এই দূর্যোগাপূর্ণ অবস্থায় আমাদের দেশ আর্থিক স্বচ্ছলতা নিয়ে পড়েছে নতুন চ্যালেন্জে। বিশেষ করে এই সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় আমাদের স্বাভাবিক জীবন পড়েছে হুমকির মুখে।

আমরা জীবিকা নির্বাহে আমাদের ব্যবসা-বানিজ্য,অফিস,আদালত কর্মস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছি। ঠিক তেমনি আমাদের বসবাসের জন্যও ইট পাথরের এই শহর রাজধানী ঢাকা সহ দেশের সকল শহরাঞ্চল গুলো বেছে নিয়েছি।

আমাদের মাসিক যে উপার্জন তার প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ভাগের অংশটা আমাদের বসবাসের জায়গা বাসা ভাড়া দিয়ে চলে যায়। আর বাকি ৫০ থেকে ৬০ ভাগ উপার্জন দিয়ে সন্তানদের পড়াশুনা, খাওয়া দাওয়া, চিকিৎসা সেবা সহ অন্যান্য চাহিদা মেটাতে গিয়ে প্রতি মাসে প্রায় টানাহেছড়া লেগেই থাকে।

তার মধ্যে বর্তমানে করোনার এই অবস্থা আমাদের জনজীবনকে আরো দূর্বিষহ করে তুলেছে। আমরা যারা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করি। তারা দেশের এই ক্রান্তিকালে কিভাবে সেই বাসা ভাড়া দিবো তার জন্য গুনীজনেরা হয়তো সরকারকে অন্তত দুই মাসের বাসা ভাড়া মওকুফের জন্য বাড়ীর মালিকদের প্রতি অনুরোধ করতে বলেছেন।

অন্য দিকে যদি খেয়াল করি, তাহলে দেখবো এক একজন বাড়িওয়ালা দূর্যোগের এই ক্রান্তিকালে হাজার হাজার টাকা বিদ্যুৎ,গ্যাস,পানির বিল কিভাবে পরিশোধ করবে? অনেক ভাড়ীর মালিক আছে। যাদের একমাত্র আয়ের একটা উৎস হলো বাসা ভাড়া।

তারা এটা দিয়েই জীবন যাপন করে। তারা যদি বর্তমান সময়ে বাসা ভাড়া না পায়। তাহলে কিভাবে বিদ্যুৎ,গ্যাস,পানির বিলগুলো পরিশোধ করবে? এই দিক থেকে যদি সরকার জন জীবনকে স্বাভাবিক দিক বিবেচনা করে এই সব বিলগুলো মওকুফ করে দেয়।

তাহলে বাড়ির মালিক ও বাসা ভাড়াটিয়াদের জন্য খুবই উপকার হবে। আমার মতে সরকার যদি এই বাসা ভাড়া বা বাড়ির মালিকদের সকল বিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত মওকুফ করে দেয়।

তাহলে উভয়েরই উপকার হবে। কারণ দেখা গেছে অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার পরেও কিন্তু অর্থনৈতিক চাকা স্বাভাবিক নাও হতে পারে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ করবো। তিনি যেন জনকল্যানে এই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে।

লেখক
ভাইস চেয়ারম্যান
সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটি