ads
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

বাংলাদেশের কুকুর ধরে নিয়ে রান্না হচ্ছে ভারতে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৪ বার পঠিত

কুকুর জবাই, কুকুরের মাংস আমদানি, বিক্রি বা ব্যবসা নিষিদ্ধ করেছে ভারতের রাজ্য মিজোরাম। তারপরও সেখানকার রেস্তোরাঁগুলোতে কুকুরের মাংস বিক্রি বন্ধ নেই। কারণ ওই অঞ্চলের প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম কুকুরের মাংস। আর এসব কুকুর যাচ্ছে খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী উপজেলা দীঘিনালার বিভিন্ন হাট থেকে।

পাহাড়ের বিভিন্ন হাট থেকে প্রতি মাসেই কুকুর ধরে পাচার করছে শিকারিরা। একটি কুকুর মিজোরাম বাজারে পৌঁছে দিলেই মেলে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। খাওয়ার জন্য এ সব কুকুর নিয়ে যাওয়া হয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে মিজোরাম রাজ্য কুকুর খাওয়া নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নেয়। রাজ্য সরকার আইন সংশোধন করে কুকুরকে খাওয়ার জন্য হত্যাযোগ্য প্রাণির তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। এরপর থেকেই কুকুর শিকারিরা আরো বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে শিকারিরা।

জানা গেছে, দীঘিনালার বোয়ালখালি বাজার, বাবুছড়া, থানা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব কুকুর শিকার করা হয়। কুকুরগুলো রাঙ্গামাটির মাইনী বাজার হয়ে কাপ্তাই হৃদ দিয়ে মিজোরামে নেয়া হয়। এসময় কুকুরগুলোকে সনাতনী ফাঁদে আটকানোর পর সরু তার দিয়ে কুকুরের মুখ বেঁধে দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কুকুরের গলায় আটকে দেয়া হয় শুকনো বাঁশ। খাওয়ার জন্য এ সব কুকুর নিয়ে যাওয়া হয়।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। এরপর কোনো শিকারি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলেই কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় বিশেষ কিছু সম্প্রদায় এটি উপাদেয় খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন। তাদের সংস্কৃতির অংশ বলেই মনে করেন তারা।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102