ads
বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি পরিবার সরকারি সহায়তা নেয় ভোট নিয়ে জনমনে শঙ্কা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হতাশাজনক : আসিফ মাহমুদ দোষারোপের রাজনীতি বাদ দিতে হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ ‘ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না’ সুন্দরবনে দুর্ঘটনাকবলিত পর্যটন জাহাজ থেকে ৪৪ পর্যটক উদ্ধার ক্র্যাবে চতুর্থবারের মতো সভাপতি তমাল, বাদশাহ্ ফের সম্পাদক

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪০ বার পঠিত

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের দক্ষিণ সালন্দর গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল ইসলামের দশম শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে দেড় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল জগন্নাথপুর বিহারীপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে-দশম শ্রেণীর ছাত্র লাবু হোসেনের।

সম্প্রতি, তাদের দু’জনের প্রেমের সম্পর্ক জানাজানি হলে লাবু হোসেন ফোন বন্ধ রাখে। দীর্ঘদিন ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ওই প্রেমিকা সরাসরি বিয়ের দাবিতে গত ৫ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তার প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করে। কিন্তু জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ি প্রেমিকের বয়স ১৬ বছর ১১ মাস এবং প্রেমিকার বয়স ১৭ বছর।

খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন ছেলে ও মেয়ের সংশ্লিষ্ট দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণকে ডেকে নিয়ে ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই নাবালক হওয়ায় এখনই তাদের বিয়ে না দিয়ে সাবালক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার নির্দেশনা দেন এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার পরামর্শ দেন।

কিন্তু স্থানীয় ইউপি সদস্য তামান্না বেগম, জামাল উদ্দীন, স্থানীয় মাতবর নজরুল ইসলাম একজোট হয়ে ওই মেয়েকে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিয়ে করার জন্য প্রেমিক লাবুর অভিভাবকদের চাপের মুখে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠে।

এ ব্যাপারে মেয়ের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, যে মেয়ে আমাদের মুখে চুনকালি দিয়েছে। তাকে আর আমার বাড়িতে ঢুকতে দিব না।

অপরদিকে ছেলের মা লাভলি বেগম বলেন, বিয়েটা হচ্ছে ভবিষ্যত জীবনের জন্য। এখন ছেলের বয়স এখন ১৬ বছর ১১ মাস চলছে। এই বয়সে ছেলের বিয়ে দিলে তার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যাবে।

এ ঘটনায় ইউপি সদস্য তামান্না বেগম ও জামাল উদ্দীন বলেন, মেয়েটিকে তার বাবা বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে চাইছে না।
এমতাবস্থায় মেয়েটিকে বিয়ে না দিয়ে ছেলের বাড়িতে রাখা নিরাপদ হবে না ভেবে বিয়ের জন্য বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, বাল্যবিয়ে দেয়া যাবে না মর্মে কাজী, পুরোহীত, ঈমাম এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেয়া আছে। এক্ষেত্রে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বলে দেব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102