কুষ্টিয়ার মিরপুরে ফিরোজ আহম্মেদ কাজল হত্যা মামলায় আটজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় আরো তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডিতরা হলেন- মিরপুর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে মাসুদ, একই গ্রামের শের আলীর ছেলে সিদ্দিক, একই উপজেলার বরিয়া গ্রামের নূর ইসলাম মোল্লার ছেলে মাসুম মোল্লা, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আজগর আলীর ছেলে গিয়াস, একই গ্রামের শের আলী মোল্লার ছেলে মেসকাত আলী মোল্লা, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সালিমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ বিশ্বাসের ছেলে সোহেল, একই গ্রামের কালাম হোসেনের ছেলে ওয়াসিম রেজা ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার চৌড়হাস উপজেলার রোডের লালন শেখের ছেলে জাকির হোসেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মিরপুর উপজেলার বরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রবিউল ইসলাম ববি, একই গ্রামের আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে নুরুল ইসলাম ও দৌলতপুর উপজেলার কাজিপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে এনামুল হক ইনু।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ জুলাই মিরপুর উপজেলার বরিয়া গ্রামের দেলবার হোসেনের বড় ছেলে ফিরোজ আহমেদ কাজলকে অপহরণের পর হত্যা করেন আসামিরা। এ ঘটনায় মিরপুর থানায় একটি মামলা করেন নিহত কাজলের বাবা দেলবার।
মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের পয়লা এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ২৪ মার্চ রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে আদালত। এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।
আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আটজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডিতদের পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।