ইউরোপে রাতে ছিল বেশকটি ম্যাচ। লা লিগায় রিয়াল সোসিয়াদাদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে টেবিল টপার আতলেতিকোর। অন্যদিকে ইপিএলে ফর্মে থাকা চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল।
লা লিগায় শিরোপা রেসটা জমে উঠেছে। লিগের শেষ ম্যাচে লেভান্তের সাথে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে রেসে থাকা বার্সেলোনা। তাই বার্সার সাথে পয়েন্ট ব্যবধান বাড়িয়ে নিতে এ ম্যাচ জেতার বিকল্প ছিলো না আতলেতিকোর।
রিয়াল সোসিয়াদাদের সাথে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আতলেতিকো মাদ্রিদ। প্রথম আধ ঘণ্টাতে স্কোরলাইন ২-০। স্কোরশিটে ইয়ানিক কারাসকো ও এনহেল কোরিয়া।
৮৩ মিনিটে জুবেলদিয়ার গোলে জমে উঠে ম্যাচ। তবে বাকি সময় সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হয় সোসিয়াদাদ। মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডিয়েগো সিমিওনির দল।
৩৬ ম্যাচে ২৪ জয় ৮০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আতলেতিকো। বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭৬। এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল মাদ্রিদ ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে তিনে।
এদিকে, ফর্মের তুঙ্গে আছে চেলসি। মাদ্রিদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। এরপর হারিয়েছে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করা ম্যানসিটিকেও। নিজেদের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ টেবিলে আটে থাকা আর্সেনাল।
তবে ম্যাচের শুরুতেই নিজেদের ভুলে গোল হজম করে ব্লুরা। ১৬ মিনিটে গোলকিপারের দিকে না তাকিয়েই ব্যাক পাস দেন জর্জিনিয়োর। কেপা পোস্ট ছেড়ে বাঁ দিকে সরে থাকায় সেটিই জড়িয়ে যাচ্ছিলো জালে। ডাইভ দিয়ে গোল লাইন থেকে বল ফিরিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। ফিরতি বল অবামিয়াঙ্গের পাস থেকে গোলে পরিণত করেন এমিল স্মিথ।
এক গোলেই শেষ হয় ম্যাচ। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর এই প্রথম লিগে দুই দেখাতেই চেলসিকে হারাল আর্সেনাল। এ জয়ে পাঁচে থেকে ইউরোপা লিগে এখনো জায়গা করে নেয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখলো গানাররা। আর চেলসির লড়াইটা চারে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়ার।