হাইভোল্টেজ ম্যাচে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে টেবিল টপার ম্যানচেস্টার সিটি। এমিরেটস অ্যারেনায় ম্যাচটি শুরু হবে রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায়। এর আগে টেবিলের দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে টেক্কা দিতে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে খেলবে লেস্টার সিটি। এই ম্যাচটি মাঠে গড়াবে রোববার রাত ৮টা ৫ মিনিটে। এ ছাড়া সন্ধ্যায় ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে খেলবে টটেনহ্যাম।
পরপর বেশ কয়েকটি বিগ ম্যাচ ম্যানচেস্টার সিটির। কিন্তু সবই মামুলি বানিয়ে ছেড়েছে গার্দিওলার দল। বড় দাগে হিসাব কষতে গেলে ১২ ম্যাচ ধরে জয়ের রথে তারা। যেখানে লিগে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ১৬। সেই পথে আর্সেনাল কতটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে? এ প্রশ্নে খুব বেশি ভোট পড়বে না গানারদের বাক্সে এটা নিশ্চিত। কারণ ওদের বিপক্ষে আরো অনন্য সিটিজেনরা।
প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালের সঙ্গে শেষ সাত ম্যাচের সব কটিতেই জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০১৫’র এর ডিসেম্বরের পর লন্ডনের ক্লাবটি তাদের দিতে পারেনি কোনো হারের তিক্ততা। এসব পরিসংখ্যানই যথেষ্ট এই ম্যাচের ফেবারিট খুঁজে নিতে। তার চেয়েও বড় কথা হলো জয়ের নেশা পেয়ে বসেছে স্টার্লিংদের। ওদের থামাবে কে!
ম্যানচেস্টারের এই ক্লাবটির আত্মবিশ্বাস এখন পাহাড় সমান। সেটা আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে গোলমেশিন সার্জিও অ্যাগুয়েরর ফিট হয়ে ফেরা। ইনজুরি বহু ভুগিয়েছে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে। এবার তার সার্ভিস দেওয়ার পালা। একই সঙ্গে গ্রোইনের চোট থেকে সেরে উঠেছেন এভারটনের বিপক্ষে না খেলা গুন্ডোগান।
সময়টা আসলেই ভালো যাচ্ছে না আর্সেনালের। অধরাবাহিক পারফরমেন্সে তারা নেমে গেছে টেবিলে প্রত্যাশারও নিচে। তার ওপর এই ম্যাচটায় তাদের দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা। যদিও গানারদের হোম পরিসংখ্যান স্বস্তিদায়ক। এমিরেটসে খেলা শেষ ছয় ম্যাচে তাদের হারাতে পারেনি কোনো দল।
টেবিলের দুই নম্বরে ওঠার হাতছানি নিয়ে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে মাঠে নামবে লেস্টার সিটি। মৌসুমটা তাদের চলছে মোটামুটি। পারফরমেন্সের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা গেলে টেবিল টপারদের সঙ্গে ব্যবধানটা হতো সামান্যই। যে যাই হোক দলটির অ্যাওয়ে ম্যাচ পরিসংখ্যান বেশ সমৃদ্ধ। যেটা আত্মবিশ্বাসে রসদ জোগাচ্ছে জয় পেতে।
অবশ্য অ্যাস্টন ভিলাও কম যায় না। প্রেমিয়ার লিগের বাঘা বাঘা প্রতিপক্ষদের পেছনে ফেলে তারা জায়গা করে নিয়েছে টেবিলের উপরের দিকটায়। তাছাড়া লেস্টারকে লায়নরা প্রথম লেগে হারিয়েছিল ১-০ ব্যবধানে। এবারের ম্যাচটা কিং পাওয়ারে, যা মানসিক ভাবে এগিয়ে রাখছে দলটাকে।