আল জাজিরার প্রতিবেদনে দুর্নীতির তথ্য প্রমাণ নেই বলে মনে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
দুর্নীতি বিরোধী প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানান, কেবল বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে দুর্নীতির অভিযোগ আনা যায় না। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় এবং দুদকের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আল জাজিরার প্রতিবেদনে দুর্নীতির কোনো দালিলিক তথ্য ছিলো না, তবে তথ্য প্রমাণ থাকলে দুদক খতিয়ে দেখতো।
রবিবার রাতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯ পেশ করে দুদক। পরদিন এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে দুদকে মোট অভিযোগ আসে ২১,৩৭১টি। তবে, যাচাই করে অনুসন্ধানের জন্য আমলে নেয়া হয় মাত্র ১ হাজার ৭১০টি, একই বছরে মোট মামলা হয়েছে ২৬৩টি, অভিযোগপত্র ২৬৭টি। যা ২০১৮ সালের তুলনায় বেশি। তবে দুর্নীতি মামলায় সাজার হার বাড়েনি, ২০১৮ সালের মতো উনিশেও ছিলো ৬৩ শতাংশ।
সোমবার দুদক বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনেস্ট করাপশন এর সাথে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কমিশনের প্রতি আস্থা বাড়ায়, বেড়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। তবে দুর্নীতির অভিযোগ বাড়লেও সাজার হার না বৃদ্ধি না পাওয়া প্রসঙ্গে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মোজাম্মেল হক খান আশা করেন আগামীতে সাজার হার আরোও বাড়বে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির কাছে দুদকের প্রতিবেদনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি বন্ধে বিভিন্ন সুপারিশ করা হয়েছে।