নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন এক নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদপ্রার্থী আছিয়া খানম সুমি। তিনি নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী মহিলা লীগের জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। ভোটে পরাজিত হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
nagad-300-250
আছিয়া খানম সুমি বলেন, নির্বাচন অফিসাররাও এই কারচুপিতে যুক্ত। ভোটের দিন আমার ছেলে নিজ কানে শুনেছে, একজন অফিসার বলছে, ১০২টা ভোট হওয়ার পর মেমোরি কার্ড পরিবর্তন করে ফেলবেন। মেমোরি কার্ড কেন পরিবর্তন করতে হবে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
তিনি বলেন, নির্বাচন এমন করবে আগে জানলে আমি নির্বাচনে অংশ নিতাম না।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) নগরীর দেওভোগে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি এসব কথা বলেন।
পরাজিত প্রার্থী সুমি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এর আগে ২০১১ সালে আছিয়া খানম সুমি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে (১৩.১৪,১৫ নং ওয়ার্ড) নির্বাচন করেন এবং তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে সুমি বলেন, আমি আমার ভোটারদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি ভোটারদের ভোটে পরাজিত হইনি। ভোটে কারচুপির মাধ্যমে অযৌক্তিক একটা ফলাফল আমার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
ভোটগ্রহণের দিন কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করে পরাজিত এই প্রার্থী বলেন, ৯০টা ভোটার আমার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। ৯০টা না পাইলেও ৩০টা ভোটও তো পাইতাম। যেই ফলাফল আমারে দিসে সেইটা স্বচ্ছ না। এইখানে কারচুপি হইছে।
এদিকে নির্বাচনে ফলাফল অনুযায়ী ১ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী যুব মহিলা লীগের মহানগর কমিটির আহবায়ক সাদিয়া আফরিন ১২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।