ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী ক্রিকেটে বরাবরই শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে খেলতে নেমে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেও জিতরে পারেনি বাংলাদেশ দল। ক্যারিবীয়দের মাত্র ১৪০ রানে বেঁধে ফেলেও শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে ৪ রানে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৪০ রানের ইংনিসে১০ ওভার বল করে ৩ মেইডেনসহ মাত্র ২৩ রান খরচায় ২ উইকেট নেনে বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। পরে ব্যাট হাতেও বাঁচিয়ে রেখেছিলেন জয়ের আশা। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করে।
শেষ দিকে নাহিদার সঙ্গে একজন ব্যাটার থাকলেই ফলটা ভিন্ন হতে পারতো বলে মনে করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে এতো ভালো সুযোগ পেয়েও জিততে না পারার হতাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
জ্যোতি বলেছেন, (এমন হারের পর) হতাশা তো থাকবেই। এসব ম্যাচগুলো অনেক ক্লোজ ম্যাচ, অনেক বড় সুযোগ ছিল আরো দুই পয়েন্ট নেয়ার। অনেক বড় একটা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে, এটার জন্য সবার মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক।
তিনি আরো বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো টিমকে এত অল্প রানে আটকানো, এরপর খুব কাছাকাছি গিয়ে এরকমভাবে হারা। শেষ পর্যন্ত নাহিদা অনেক ফাইট করেছে, যদি একটা ব্যাটার তাকে সাপোর্ট করতো, তাহলে ফলটা আলাদা হতে পারতো।
এর আগে ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে জিততে না পারার কারণ হিসেবে জুটি গড়ার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেন জ্যোতি।
এসব পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতা কম থাকায় জয় ধরা দিচ্ছে না বলে মনে করেন তিনি। তবে নিয়মিত খেললে আরো উন্নতি হবে বলে বিশ্বাস টাইগ্রেস অধিনায়কের।
নাহিদা বলেন, খুবই ক্লোজ ম্যাচ ছিল। আমাদের বোলাররা যেভাবে শুরু করেছিল, দুর্দান্ত। ব্যাটিং নিয়ে হতাশ। আমরা জুটি গড়তে পারিনি। আমার উচিত ছিল শেষ পর্যন্ত খেলা। এসব জিনিস নিয়ে কাজ করতে হবে আমাদের। এসব পরিস্থিতিতে আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে। যদি আমরা নিয়মিত খেলি, তাহলে আরো উন্নতি হবে।