বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত সম্প্রতি ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। পুরস্কার পাওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় ছিলেন তিনি। সম্প্রতি দেশের স্বাধীনতা নিয়ে মন্তব্য করে ফের আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী।
কঙ্গনা মন্তব্য করেছেন, এক গালে চড় খেয়ে আরেক গাল বাড়িয়েই তো স্বাধীনতা পেয়েছি আমরা। তারপর এবার ‘মহাত্মা গান্ধী’কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন।
অভিনেত্রী কয়েক দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯৪৭ সালে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা পেয়েছিল ভারত। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর মানসিকতার স্বাধীনতা পেয়েছে ভারত। ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা ছিল ভিক্ষা। আর এরপরই নায়িকার মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার শুরু হয় বিভিন্ন মহলে।
নায়িকার এমন মন্তব্যের পর ভারতের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়ার দাবি জানান দিল্লির মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। আর এরপর থেকে জাতীয় রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠে যায়। এ কারণে কংগ্রেস, শিব সেনার মতো দল অভিনেত্রীর পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়ার পক্ষে কথা বলেন।
এদিকে কঙ্গনা আরও একধাপ এগিয়ে এবার গান্ধীজীকে নিয়ে মন্তব্য করলেন। জাতির জনক ছিলেন নরমপন্থী। তিনিই সবাইকে ‘অহিংসা-নীতি’ শিখিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘এক গালে চড় মারলে, আরেকটা গাল বাড়িয়ে দাও…।’ আর এ কথাকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়েই মন্তব্য করেন নায়িকা।
তিনি লিখেছেন, আপনি হয় নেতাজির বা গান্ধীজীর ভক্ত। একসঙ্গে দু’জনের ভক্ত হওয়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়। গান্ধীজীই তো দেশের স্বাধীনতার ভার নেতাজির হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তারাই শিখিয়েছিলেন, কেউ এক গালে চড় মারলে আরেক গাল বাড়িয়ে দাও। আর এভাবেই স্বাধীনতা পেয়েছি আমরা। এভাবে স্বাধীনতা পাওয়া যায় না, ভিক্ষা পাওয়া যায়। তাই কাকে হিরো হিসেবে বাছবেন, নিজেরাই ভাবুন।