ads
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণ, আদালত পরিবর্তনের আবেদনে হাইকোর্টের ‘না’

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৩৬ বার পঠিত

সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূ গণধর্ষণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনা পৃথক দুই আদালতে নয়, দুই অভিযোগের বিচার একসঙ্গে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলার বাদী, সাক্ষী ও বাদীপক্ষের আইনজীবীর নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো আসামির পক্ষে আইনজীবী না থাকলে তার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন। তবে ধর্ষণের মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে মামলার বাদীর আবেদনে সাড়া দেননি হাইকোর্ট। আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন ও ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম লিটন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এক গৃহবধু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। স্বামীকে বেঁধে রেখে ও মারধর করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ঐ রাতেই ভিকটিমের স্বামী বাদি হয়ে শাহ পরান থানায় মামলা করেন। মামলায় এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় গতবছর ৩ ডিসেম্বর সাইফুর রহমানসহ ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীকে আসামি করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একটি ধর্ষণের অভিযোগে এবং অপরটি ছিনতাইয়ের অভিযোগে দেওয়া হয়। এরমধ্যে ধর্ষণের অভিযোগের মামলাটি সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। এ আদালতে গত ১৭ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। আর ছিনতাইয়ের অভিযোগের মামলা সিলেট দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। এ অবস্থায় মামলার বাদীপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়, দুটি মামলায় একসঙ্গে বিচার করতে। কিন্তু গত ২৪ জানুয়ারি এ আবেদন খারিজ করে দেয় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এরপর বাদীপক্ষ আদালত পরিবর্তনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে।

এর আগে ওই গণধর্ষণের ঘটনায় যৌথ অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। প্রতিবেদনে ছাত্রাবাসের বর্তমান তত্ত্বাবধায়কেরা, মূল ফটক, ৫ ও ৭ নম্বর ব্লকে দায়িত্বরত প্রহরীদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ঘটনার নেপথ্যে মূলত হোস্টেল সুপারদের তদারকির

ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলাই দায়ী। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে কলেজের অধ্যক্ষের ওপরও এ দায়ভার চলে আসে। প্রতিবেদনে এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ১৫ দফা সুপারিশ করা হয়।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102