কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থেমে নেই। গেল কয়েকদিনে প্রায় অর্ধশত রোহিঙ্গা ঢুকেছে টেকনাফে। নতুন অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ঠিকানাও হচ্ছে বিভিন্ন ক্যাম্পে। বিষয়টি এপিবিএন নিশ্চিত করলেও জানা নেই বিজিবির। এমন অবস্থায় ফের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা বাড়ছে।
গেল কয়েকদিনে ২২ জন রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করেছে এপিবিএনের ১৬ ব্যাটালিয়ন। যারা নতুন করে এসেছে বাংলাদেশে। এপিবিএন ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, অন্যান্য ব্যাটালিয়নও শনাক্ত করেছে আরো অন্তত ২০-২২জন নতুন রোহিঙ্গা।
তবে এ বিষয়ে কোন তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন বিজিবি কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান।
নতুন অনুপ্রবেশকারীদের একজন সোনা মিয়া। জানান, ২০১৭ সাল থেকে কারাভোগ করেন মিয়ানমারে। সেখানে তার কেউ নেই। তাই মুক্তি পেয়েই চলে আসেন এপাড়ে।
নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। তবে ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে নাগরিক সমাজ।
সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার ২৩ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দেয়ার খবর প্রচারিত হয় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। যাদের মধ্যে রোহিঙ্গা রয়েছে ৬ শতাধিক।