শিশু চত্বর থাকলেও, এবার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা হয়নি শিশুপ্রহর। তবে অমর একুশে বই মেলার দ্বিতীয় দিনে ছিল ক্ষুদে পাঠকদের উপস্থিতি। স্বাস্থ্যবিধি মানায় খানিকটা উদাসীনতা দেখা গেছে পাঠক-দর্শনার্থীদের মধ্যে।
প্রতিবছর সরকারি ছুটির দিন শুক্র, শনিবার শিশুপ্রহরে সিসিমপুরের আলাদা আয়োজন থাকলেও, এবার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় তা রাখা হয়নি। আয়োজকদের পাক্ষ থেকে জানানো হয়,’নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আপাতত সিসিমপুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আয়োজনটা থাকছে না। যদি করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় তবে মেলা চলাকালে আবার শুরু করার সম্ভবনা আছে।’
তবে প্রথম দিকে ভিড় কম থাকায় মেলায় শিশুদের নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা। অভিভাবকদের মতে,’প্রথম দিকে যাই একটু ফাঁকা থাকবে এই আর কি। তাই বাচ্চাদের নিয়ে আসলাম।’
শিশুরা তাদের মনের কথা বলতে যেয়ে দুঃখ প্রকাশ করে জানায়,’সরকার যখন ঘোষণা দেয় যে বই মেলা হবে তখন খুব খুশি হয়েছি। বই মেলায় এসে সিসিমপুর থেকে অনেক মজার মজার বই কিনতাম। এখন দেখি সিসিমপুর নাই।’
পরিসর বাড়লেও এবার শিশু চত্বরের জায়গা না বাড়ায় কিছুটা অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন প্রকাশকরা। তারা জানান,’শিশু চত্বরটা আসলে আরেকটু বড় করে করার দরকার ছিলো। বাচ্চারা আসবে, তারা যেন আরেকটু দুরত্ব মেইনটেন করে বই দেখতে পারে। কিনতে পারে।’
মাস্ক পরার বাধ্য বাধকতা থাকলেও, খানিকটা উদাসীনতা দেখা গেছে।
এদিকে করোনা নিয়ে নানা ধরনের অনিশ্চয়তার কারণে এখনো অনেক স্টল নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি।
করোনা মহামারির মধ্যেও প্রথমদিকের মেলায় পাঠক-দর্শনাথীর বেশ উপস্থিতি ছিলো।