ভোলায় বোরহানউদ্দিনে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এদিকে বোরহানউদ্দিন হাসপাতাল থেকে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত মাসুদকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে স্কুলের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বোরহানউদ্দিন উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৪) বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নেয় তজুমদ্দিন বাজারের দোকান কর্মচারী মাসুদ ও তার সহযোগী। তাকে বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে দুজন মিলে ধর্ষণ করেন। বিকেল ৩টায় মুমূর্ষ অবস্থায় মাসুদ তাকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার অবস্থা গুরুতর
হওয়ায় রাতে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই কিশোরী জানান, দুপুরে বাড়ি যাওয়ার জন্য স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পূর্ব পরিচিত মাসুদ তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মাসুদ তাকে হাসপাতাল ভর্তি করেন।
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সায়েদুর রহমান জানান, রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। কিন্তু রক্ত বন্ধ হচ্ছে না। গাইনি বিশেষজ্ঞ দেখার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ভিকটিমের বাবা ও মা জানিয়েছেন, মেয়ের বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে তারা খোঁজাখুঁজি করেন। বিকেলে থানার ওসি ফোনে কিশোরীর বাবাকে জানান তার মেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে হাসপাতাল থেকে পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষক মাসুদকে পুলিশ আটক করে। আটক মাসুদের বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপুর গ্রামে। তিনি তজুমদ্দিন বাজারে একটি থাইগ্লাসের দোকানের কর্মচারী।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।