কিশোরগঞ্জে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা ও লাশ গুম করার অপরাধে স্বামীকে মুত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড দেয়া হয়।
এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়।
বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জের এক নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কিরণ শংকর হালদার।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছোটন মিয়া নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার ঘাটুয়া পশ্চিম পাড়ার আবদুর রহমানের ছেলে।
২০০৩ সালে একই গ্রামের মৃত মো. আবদুলের মেয়ে হাফসা খাতুনকে বিয়ে করেন ছুটন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর করতেন ছুটন। ২০০৫ সালের ২৪ মে ইটনা উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের বরশীকুড়া এলাকায় বালুচর থেকে হাফসা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় হাফসার বড় ভাই মো. তমজিদ বাদি হয়ে ২০০৫ সালের ২৬ মে ছোটন মিয়া, তার বাবা, চাচা, দুই ভাইসহ ৬ জনকে আসামি করে ইটনা থানায় একটি মামলা রুজু করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আলীমুজ্জামান। আদালত সাক্ষপ্রমাণ শেষে এ রায় দেন।
মামলার তদন্তকালে আসামি আবদুর রহমান মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।