কুমিল্লার মুরাদনগরে নিখোঁজের একদিন পর ১৯ দিনের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার ওই শিশুর বাড়ি থেকে ৫০ গজ দূরে খালের ভিতর কচুরিপানা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটি নিখোঁজ হয়। নিহত শিশু রাবেয়া বাইড়া গ্রামের ফরিদ ভান্ডারী বাড়ির কাতার প্রবাসী মজিবুর রহমানের একমাত্র মেয়ে।
বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রেরণ করেছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার টনকী ইউনিয়নের বাইড়া বাচ্চু মিয়ার ঘর থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়।
নিহত শিশুর মা রত্না আক্তার জানান, আমার কোলের মানিক রাবেয়াকে ঘুম পাড়িয়ে আমি টিউবওয়েলে কাজ করতে যাই। এসময় আমার শ্বশুর বাচ্চু মিয়া, শাশুড়ি রাহিমা খাতুন, দেবর ইয়াকুব আলী ও ননদ হালিমা আক্তার বাড়ির পাশে জমিতে কৃষি কাজ করতে যান। টিউবওয়েল থেকে ১০ মিনিট পর ঘরে ফিরে দেখি খাটে আমার সন্তান নাই। এসময় চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এসে জড়ো হয়। সকলে মিলে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে তাকে খুঁজতে থাকি। খুঁজে না পেয়ে সন্ধ্যায় বাঙ্গরা বাজার থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করি।
বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, নিখোঁজের একদিন পর খালের পানি থেকে শিশু মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। এঘটনায় পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।