কুষ্টিয়ায় যুবলীগ নেতাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে র্যাবের সোর্স এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে যুবলীগ নেতার পরিবারের সদস্যরা।
ওই যুবলীগ নেতার নাম রাশিদুল ইসলাম। তিনি সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও মুদি ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে রাশিদুলের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, কলেজ পড়ুয়া ছেলে রাকিব, অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে রোখসানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করলেই সব রহস্য বেরিয়ে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে রাশিদুলের স্ত্রী রিজিয়া খাতুন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার স্বামী রাশিদুল যুবলীগের রাজনীতি ও ব্যবসা করেন। তিনি সমাজকে নেতৃত্বে দেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদে ভোট করার ঘোষণা দেয়ার পর মূলত বিরাগভাজন হন প্রতিপক্ষের। এরপর নানাভাবে তাকে হয়রানি করে আসছিল তারা। এলাকায় কিছু হলেই মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হচ্ছিলে তার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
গত ২৭ ডিসেম্বর অস্ত্রসহ রাশিদুল ইসলামকে আটক দেখায় র্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও সমাজে নেতৃত্ব দেয়াকে কেন্দ্র করে র্যাবকে ব্যবহার করে চরমপন্থি ওই সোর্স এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রাশিদুলের স্ত্রী রিজিয়া খাতুনের।
তার অভিযোগ, ঝন্টু ও রাশিদুল একই ইউনিয়ন থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দেয়ার পর বিরোধ তৈরি হয়। এরপর ঝন্টু ও রাশিদুলের সামাজিক প্রতিপক্ষরা র্যাবের সোর্স পরিচয়দানকারী লিপটন ও মামুনকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে রাশিদুলকে ফাঁসিয়ে দেয়।