ads
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

কেন ২০১৪ সালে মনোনয়ন পাননি ডা. মুরাদ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩০ বার পঠিত

পদত্যাগী তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের অশ্লীল ও বিতর্কিত বক্তব্য-আচরণ নতুন নয়। এর আগে ২০০৮ সালে সংসদ সংসদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও বিভিন্ন সময় তার অশালীন আচরণের জন্য ক্ষুব্ধ ছিলেন সংসদীয় আসনের মানুষ, এমনকি দলের নেতাকর্মীরা। এরই ফলে

২০১৪ সালের নির্বাচনে জামালপুর-৪ আসনে দল থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হন তিনি। আসনটি চলে যায় মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির হাতে।

ডা. মুরাদ হাসান আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছাত্ররাজনীতি থেকে। ১৯৯৪ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সদস্য হন তিনি। ১৯৯৭ সালে এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকিএবং ২০০০ সালে নির্বাচিত হন সভাপতি পদে।

২০০৩ সালে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর আওয়ামী লীগের জামালপুর জেলা শাখার সদস্য হন তিনি। ২০১৪ সালে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ২০১৫ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক হন ডা. মুরাদ হাসান। ২০১৭ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন।

মূল দলে সংযুক্ত হওয়ার পাঁচ বছরের মাথায় ২০০৮ সালে জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিশ্চিত হয় তার। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সরিষাবাড়ি, তিতপল্লা ও মেষ্টা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটির সংসদ সদস্য থাকাকালে নানা বিতর্কের জন্ম দেন ডা. মুরাদ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে অনৈতিক বক্তব্য দেওয়া, এমনকি অশ্রাব্য মন্তব্যও করেন অনেকবার।

সংসদ সদস্য ডা. মুরাদের আচরণে ক্ষোভ তৈরি হয় সংসদীয় আসনের জনসাধারণের মাঝে। একইভাবে ক্ষোভ জন্ম নেয় জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের মাঝেও। জেলা থেকে এই সাংসদের বিষয়ে অভিযোগ পাঠানো হয় কেন্দ্রে।

এসব ঘটনায় বিরক্ত আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের নির্বাচনে জামালপুর-৪ আসনটি মহাজোটকে দিয়ে দেয়। নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির মামুনুর রশীদ।

সংসদীয় আসনটির জনগণের মতে, ডা. মুরাদের অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং গোঁয়ার্তুমি ২০১৪ সালে তার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন না পাওয়ার অন্যতম কারণ।

#ঢাকাটাইমস

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102