আলিশান বাড়ি, পরতে পরতে আভিজাত্যের ছাপ। সদর দরজার নকশায় বাদশাহী ভাবসাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলোচিত গাড়ি চালক আব্দুল মালেক গ্রেপ্তারের পর একে একে বেরিয়ে আসছে ঢাকায় বহুতল বাড়ি-ফ্ল্যাটসহ শতকোটি টাকা সম্পদের নানা গল্প। যদিও মালেক পরিবারের দাবি, এসব সম্পদের বেশিরভাগই পৈতৃক সূত্রে পাওয়া।
তুরাগের বামনারটেকে সাততলা বাড়ি। নাম হাজী কমপ্লেক্স। সামনে কাঠাদশেক খালি জায়গা। মালিক এম এন বাদল। কেউ চেনেন মালেক নামে।
১৯৮২ সাল থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত। দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্যসহ নানা কিছু করে শতকোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার বিস্তুর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। অতঃপর গ্রেপ্তার র্যাবের হাতে।
হাজী কমপ্লেক্সের তিনতলায় মালেকের পরিবারের বাস। উপরে উঠতেই সেই আলিশান নকশাখচিত দরজা। কলিংবেল দিতেই বেরিয়ে এলেন তার মেয়ে। দাবি করলেন মামলা মিথ্যা। সম্পদের বিবরণীও ভুল। যা বলা হচ্ছে তার বেশিরভাগই উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।
বাড়ির দারোয়ান আর আশেপাশের কয়েকজন গল্পচ্ছলে দেন মালেকের জমিজিরাতের ফিরিস্তি।
এরপর ক্যামেরার চোখ মালেক তথা বাদলের ডেইরি ফার্মে। যদিও তালাবদ্ধ। গোটাপঞ্চাশেত গরু। নিয়মিত দুধ বিক্রি হয়। এক কর্মচারীর জানান, সকালেই মালিকের মেয়ে তালা লাগিয়ে দিতে বলেছেন ফার্মে।
পাশেই আরেকটি প্লটে মালেকের একতলা বাড়ি। ভাড়াটিয়া থাকে বছর কয়েক। মালিককে ভালো মানুষ হিসেবেই চেনেন।
আরেক ভবন হাতিরপুলে। ডেভেলপারকে দিয়েছেন অনেকদিন। ভাইবোনের ঝামেলার কারণে কাজ শেষ হচ্ছে না।
শুধু মালেক নন, স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরি করেন তার পরিবারের একাধিক সদস্য।