গম ও চিনির পর চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ভারত। দেশের অভ্যন্তরে খাদ্যপণ্যটির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে এ পথে হাঁটতে পারে তারা। দ্য ইকোনমিকসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ইতোমধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয়ের নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাসমতি চাল ছাড়াও অপরিহার্য পণ্যদ্রব্য পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ করছে তারা। সেগুলোতে দাম বাড়ার কোনও লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে জ্ঞাত এক কর্মকর্তা বলেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি মোকাবেলা করা হচ্ছে। প্রতিটি পণ্য নিয়ে বৈঠক করছে মূল্য পর্যবেক্ষণ কমিটি। পরে অবস্থা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে।
বিশ্বে প্রথম চাল উৎপাদক দেশ চীন। এর পরের স্থানেই রয়েছে ভারত। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৫০টিরও বেশি দেশে চাল রপ্তানি করেছে দেশটি।
সংশ্লিষ্ট আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মোট পাঁচটি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া চিনি রপ্তানি সীমিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ভারত থেকে ১০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি চিনি রপ্তানি করা যাবে না। চাল রপ্তানির ক্ষেত্রেও তদানুরূপ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।