গাইবান্ধায় প্রতিবন্ধীসহ পৃথক দুই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পুলিশ ১ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। তবে প্রতিবন্ধী কিশোরীর ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার প্রতিবন্ধী কিশোরীকে একই এলাকার শ্রী সাগর চন্দ্র নামের এক বখাটে যুবক গত ১৮ এপ্রিল রাতে মেহেদী কিনে দেয়ার কথা বলে বাড়ির পেছনে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায়। তারপর তাকে রেখে ধর্ষক পালিয়ে যায়। প্রতিবন্ধী কিশোরী বাড়িতে গিয়ে তার বাবা মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে তারা তার মেয়েকে নিয়ে থানায় মামলা করতে আসতে চাইলে বখাটে ধর্ষকের স্বজনরা তাকে বাড়িতে আটকে রাখে।
পরিবারসহ আটকে রাখার পর ২৭ এপ্রিল প্রতিবন্ধী মেয়েসহ তার বাবা মা গাইবান্ধা থানায় এসে ঘটনার বর্ণনা করে। তারা বলেন ,ধর্ষকরা বিত্তবান প্রভাবশালী হওয়ায় তাদেরকে থানায় আসতে দেয়া হয়নি। পরে তারা পালিয়ে থানায় আসেন এবং ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার রাতে মেয়েটিকে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী কিশোরীর ধর্ষণকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে ঈদে বেড়ানোর কথা বলে এক কিশোরীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধর্ষক রিফাত নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গোবিন্দগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সঞ্জয় কুমার জানান, ২৭ এপ্রিল রাতে মহিমাগঞ্জের ওই কিশোরীকে রিফাত নামের ওই যুবক বেড়ানোর কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে ব্রিজের নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফেলে ধর্ষক সটকে পড়ে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ওই কিশোরী ২৭ এপ্রিল রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় গিয়ে নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন।
তিনি জানান, শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে গোবিন্দগঞ্জের শালমারা এলাকায় তার বাড়ি থেকে ধর্ষক রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে আদালতে পাঠানো হয় এবং মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।