ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী বিমান হামলার পাশাপাশি গোলাবর্ষণ শুরু করেছে ইসরায়েল। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জবাবে হামাস ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবে রকেট হামলা অব্যাহত রেখেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (১৪ মে) ভোরে গাজার উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল কামানের গোলা ও বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সীমান্তের কাছে বসবাস করা বহু পরিবার তাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া শুরু করেছে, অনেকে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।
অপরাদিকে গাজা থেকে ছোড়া রকেট হামলায় ইহুদিদের বেশ কয়েকটি সিন্যাগগ পুড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট সবাই নিরাপদে থাকতে সতর্ক করেছেন।
ফিলিস্তিনি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত চার দিনে গাজায় ২৯টি শিশুসহ অন্তত ১০৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু বৃহস্পতিবার (গাজার ঈদের দিন) ৫২ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৫৮০ জন।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। ঈদুল ফিতরের দিনেও ইসরায়েলি বোমারু বিমানগুলোর গাজা উপত্যকায় মুহুর্মুহু বোমা হামলা অব্যাহত ছিল।
অপরদিকে, ইসরায়েল অভিমুখে হামাসের রকেট হামলায় এ পর্যন্ত সাতজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ভারতীয় নারী ও ইসরায়েলি এক সেনা রয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন শতাধিক ইসরায়েলি।
ইসরায়েলের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জারাহ এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারের বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কা থেকে সংঘাতের শুরু। সেই সংঘাত এখনও অব্যাহত আছে।