রিয়াল বেটিসের কাছে হোঁচট খেলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার মুখে হাসিয়ে ফুটিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কারণ একদিকে পয়েন্ট হারিয়ে বার্সার সঙ্গে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা।
অন্যদিকে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে বার্সা পূর্ণ পয়েন্ট নিলে রিয়ালকে ছুঁয়ে ফেলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। আর সেই আশঙ্কাই সত্যতে রূপ নিল।
ভিয়ারিয়ালের মাঠে গিয়ে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদকে ছুঁয়ে ফেলল লিওনেল মেসির দল।
বার্সার পক্ষে ২ গোলই এসেছে ফরাসি তারকা আতোয়াঁ গ্রিজম্যানের পা ছুঁয়ে। ভিয়ারিয়ালের পক্ষে একটি গোল শোধ করেন স্যামুয়েল চুক্কুয়েজ।
২৬তম মিনিটে চুক্কুয়েজের গোলে এগিয়ে যায় ভিয়ারিয়াল। পাউ তোরেসের বাড়ানো বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনকে কাটিয়ে কোনাকোনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন এ নাইজেরিয়ান।
ভিয়ারিয়েলের সেই গোলের উল্লাস ছিল মাত্র ১ মিনিটের। পরের মিনিটেই অস্কার মিঙ্গুয়েজার থ্রু পাসে বল ধরে ডান প্রান্ত থেকে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে পাঠান গ্রিজম্যান।
এবার বার্সার এগিয়ে যাওয়ার পালা। যদিও এই গোলকে উপহারই বলা চলে। ৩৫তম মিনিটে গোলরক্ষককে ব্যাক পাস দিয়ে চেয়েছিলেন হুয়ান ফয়েথ। কিন্তু বলে ঠিকমতো পা না ছোঁয়ায় গতি কমে যায়, যা ডি-বক্সে আগেই ধরে ফেলেন গ্রিজম্যান।
এর পর জোরালো শটে বলকে জালে পাঠাতে কোনো সময় নেননি এ ফরাসি মিডফিল্ডার। ২-১ এ এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ৪৪তম মিনিটে আরও একটি গোলের চেষ্টা করেছিলেন গ্রিজম্যান।
যা তাকে হ্যাটট্রিকের স্বাদ এনে দিতে পারত। কিন্তু গোলরক্ষক আসেনিও তা আর হতে দেননি। ডি ইয়ংয়ের ব্যাকহিল থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন গ্রিজম্যান। কোনাকোনি শট নেন, যা ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হন ভিয়ারিয়ালের গোলরক্ষক আসেনিও।
২-১ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সা। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে বেশ কিছু আক্রমণ দেখা গেলেও কোনো পক্ষই গোল দিতে পারেনি।
ফলে ওই ২-১ স্কোরলাইনে জয় নিয়ে মাছ ছাড়ে কাতালানরা।
এ জয়ের পর রিয়ালকে ছুঁয়ে ফেলেছে বার্সা। ৩২ ম্যাচ শেষে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ বেশি খেলা রিয়ালের পয়েন্টও ৭১। তবে হেড টু হেডে এগিয়ে আছে দলটি। ৩২ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।