গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাড়িতে ঢুকে হামলা, দুটি ঘর ভাঙচুর, শ্লীলতাহানি ও লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার ভোরে উল্টো ওই নিরীহ পরিবারের ওপর পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে বলেও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ। এখন আতঙ্কে রয়েছে পরিবারটি। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে দুইজন। বুধবার বিকেলে মো.ফালু মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
আহতরা হলেন, উপজেলার আষাড়িয়াবাড়ির কাওছার উদ্দিনের স্ত্রী রুনা বেগম (২৬)। একই এলাকার দেলোয়ারের স্ত্রী আসমা বেগম(৩৫)।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার আষাড়িয়াবাড়ি এলাকার মৃত সিকিম আলীর ছেলে ফালু মিয়া (৭৫) দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত বন বিভাগের জমিতে বাড়ি-ঘর নির্মাণের পর বসবাস করে আসছে।
কিন্তু তিনি তার স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ ও নাতি-নাতিনদের নিয়ে থাকার আরেকটা ঘরের প্রয়োজন। এ কারণে তিনি গত ৬-৭ দিন পূর্বে তাদের বাড়ির আঙ্গিনায় নতুন একটি ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এজন্য সিমেন্টের খুঁটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু কয়েকদিন ধরে একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ঘরের নির্মাণ কাজে বাধা করে। দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে তার ভাই সওদাগর সদু, প্রতিবেশী ইয়াছিন ও পাশের বড়ইবাড়ী গ্রামের জামিল হোসেন, রতন সরকার, ইয়ানুছ আলীসহ কয়েকজন তার বাড়িতে হামলা চালায়।
এ সময় তারা ওই ঘর,২১টি সিমেন্টের খুঁটি ভেঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এ সময় তার ছেলে কাউছারের স্ত্রী রুনা বেগম এগিয়ে গিয়ে বাধা দিলে তারা তাকে টানা-হেচড়াসহ শ্লীলতহানি করে।
এ সময় রুনা ও আসমা বেগম নামে দুই নারী আহত হয়।
এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন।
এ সময় তাদের ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
কালিয়াকৈর থানার পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান গণমাধ্যমেকে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে তদন্তে গিয়েছিলাম। তবে তাদেরকে আটক করা যায়নি। কালিয়াকৈর থানার পুলিশের (এসআই) ভজন গণমাধ্যমেকে জানান, ঘর ভাঙার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেব।