ads
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ঘূর্ণিঝড় রিমালে তছনছ কলাপাড়ার অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সৃষ্টিবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ৭৫ বার পঠিত

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে উড়ে গেছে স্কুলের চালা। ভেঙে হেলে পড়েছে টিনের বেড়া। বসার বেঞ্চ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। তাই ক্লাস-পরীক্ষা থাকলেও ফিরে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৬ মে) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পটুয়াখালী কলাপাড়ার অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

মঙ্গলবার (২৮ মে) উপজেলার আন্ধারমানিক নদীর তীরে থাকা মেনহাজপুর হাক্কানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের পতাকা উড়ছে। শিক্ষকরা বসে আছেন; তবে কোনো শিক্ষার্থী নেই।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামে অবস্থিত স্কুলটি। প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফ উজ্জামান জাগো নিউজকে জানান, আশপাশের ৭-৮ গ্রামের প্রায় আড়াইশ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছিল এই স্কুলটিতে। এখন যে পরিস্থিতি তাতে এই প্রতিষ্ঠানটি মেরামত না করা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু সম্ভব না। এজন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

ক্লাস করতে আসা ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী ওমর ফারুক ও মো. সামি বলে, ‘স্কুলে এসে দেখি স্কুল ভেঙে গেছে। বসার জায়গা নেই। তাই আমরা বাড়িতে চলে যাচ্ছি। এখন কাছাকাছি স্কুলও নেই যে, সেখানে লেখাপড়া করবো। আমরা চাই দ্রুত স্কুলটি মেরামত করা হোক।’

আব্দুল আজিজ নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘সাত আট গ্রাম মিলে একটি স্কুল। আমরা এখানে সবাই জেলে এবং খেটে খাওয়া মানুষ। এই স্কুলটি ছাড়া আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া হবে না। তাই যতদ্রুত সম্ভব স্কুলটি মেরামত করার জন্য অনুরোধ করছি।’

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে কলাপাড়া উপজেলায় এখন পর্যন্ত চারটি কলেজ, ১২টি স্কুল ও ২৫টি মাদরাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার বেশিরভাগই টিনশেড ঘর। পুরো উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৫৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠোনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102