ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বাগেরহাটে এখনও পানিবন্দি চার হাজার মানুষ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ৩৭ বার পঠিত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বাগেরহাটের সবচেয়ে বেশি থেকে ক্ষতিগ্রস্থ বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী ৪টি উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা ও রামপালে যেখানে পানিবন্দি হয়ে আছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ।

বলেশ্বর, পশুর, পানগুছি, দড়াটানা, ভৈরবসহ নদীর পানি আস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধিতে নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে ডুবে গেছে মাছের খামার, পানের বরজ ও শাকসবজির ক্ষেত। জোয়ারের পানিতে গতকাল শুক্রবার নতুন করে পশুর নদী তীরবর্তী মোংলা উপজেলার কানাইনগর, চিলা, জয়মনি, বিদ্যারবাহন, শেলাবুনিয়াসহ ১০ থেকে ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

মোরেলগঞ্জের ছোলমবাড়ীয়া ফেরীঘাট চার ফুট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাইনবোর্ড-শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের যানবাহন পারাপারে সমস্যা হচ্ছে। এই উপজেলা পানগুছি নদীর দুই তীরের গ্রামগুলোতে এখনো প্রায় দুই হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জলোচ্ছাসে প্লাবিত হয়ে বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার ৩৯ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২৪ হাজার ৯১৬ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বাড়ীঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৬৯০টি।

জেলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে শুকনা খাবারসহ ত্রান বিতরণ অব্যাহত রেখেছে জেলা, উপজেলা প্রশাসনসহ কোষ্টগার্ড ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি।

এদিকে, শরণখোলা উপজেলায় বেড়িবাধের বাইরে থাকা লোকজন রিং বেড়িবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন গতকাল শুক্রবার সকালে রায়েন্দা রাজৈর কলেজ রোডে রাজৈর গ্রামবাসি ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে।

এসময় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারে প্লাবিত পানিবন্দি হয়ে থাকা বেড়িবাঁধের বাহিরের শত শত নারী, পুরুষ ও শিশুরা এসে মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিনসহ অন্যরা বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে রাজৈর মারকাজ মসজিদ থেকে বান্দাঘাটা পর্যন্ত প্রায় আটশ’ পরিবার পানিবন্দী রয়েছেন। বর্তমানে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে তারা। তাই রায়েন্দা খালের মার্কাজ মসজিদ থেকে বান্দাঘাটা পর্যন্ত একটি রিং বাঁধের দাবি জানান তারা।

অন্যদিকে, পানিতে ডুবে থাকছে করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্র। গত ৪ দিন ধরে অথৈই পানিতে ডুবে থাকছে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ‘করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্র’।

সুন্দরবনের সব থেকে উচু এলাকা করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্রটি দুই থেকে আড়াই ফুট পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় হরিণ, কুমির ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুল বাচকা কচ্ছোপের সেডের ‘প্রতিরক্ষা দেয়াল’ (বাইন্ডারি ওয়াল) পানির চাপে ভেঙ্গে পড়ালে এই প্রজনন কেন্দ্রের ৬৫৬ টি বন্যপ্রানী ভেসে যাবার আশংকা দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে এই প্রজনন কেন্দ্রে ৭টি শাবকসহ ৪৫টি হরিণ, ৪টি বাচ্চাসহ ১৮৪টি কুমির ও ৭৯টি ব্চ্চাসহ ৪২৭টি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুল বাচকা কচ্ছোপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102