প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়া ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল সাগর। এরই মধ্যে উপকূলে বাড়তে শুরু করেছে পানি। সমুদ্র বন্দরগুলোতে জারি করা হয়েছে, তিন নম্বর সতর্ক সংকেত। অভ্যন্তরীণ রুটে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পূর্ণিমা আর চন্দ্রগ্রহণের প্রভাবে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদদের হিসাব অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানতে পারে ভারতের ওডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। সেটাও ২৬ মে দুপুর বা তার পরে।
তবে, এইরমধ্যে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে প্রস্ততি শুরু হয়ে গেছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে দুর্গতদের আশ্রয়ের জন্য সাইক্লোন শেল্টারের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। গঠন করা হয়েছে মেডিকেল টিম।
এদিকে, একদিনের হালকা বৃষ্টিতেই উপকূলীয় একাধিক নদীর পানি বইছে বিপদসীমার উপরে। ভেঙেছে নদী উপকূলের বেড়িবাঁধ। ভোলার বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্ত জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার সময় পূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহণের প্রভাবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়তে পারে ২-৪ ফুট।
জানমালের ক্ষতি ঠেকাতে এরইমধ্যে উপকূলের কয়েক লাখ অধিবাসীকে নিরাপদে সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।