আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের একটি গ্রুপ। প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে অন্তত ৫ জন জখম হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ছোরাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার দিনগত রাতে বাসায় ঢোকার সময় আলমগীর নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করছে তার প্রতিপক্ষের অনুসারীরা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দরজায় টোকা দেওয়া মাত্রই ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এবং মারধর করা হয়েছে।
এটাই একমাত্র ঘটনা নয়। গত ১২ ডিসেম্বর থেকে লালখান বাজার এলাকায় একের পর এক ঘটছে ছুরিকাঘাত এবং মারধরের ঘটনা।
ভুক্তভোগীদের একজন জানায়, গ্রুপের দু’জনকে আমি চিনি। বাকিরা সবাই মাস্ক পরা ছিল। ছুরি মারার পর আবারও আমাকে মারতে আসছে সে সময় আমি দৌড়ে পালিয়ে যাই।
মূলত আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদ নিয়ে এই বিরোধের সৃষ্টি। শুক্রবার রাতেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫ জনকে আটক করে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুজ্জামান বলেন, রাতভর অভিযান চালিয়ে ছুরিসহ আসামি সুমন ও তার ৫ সঙ্গীকে আমরা গ্রেফতার করেছি। স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিভিন্ন সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আহতরা আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলালের অনুসারী। আর হামলার অভিযোগে আটককৃতরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
#সময় সংবাদ