ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে চলতি মাসেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এরপর টানা ছয় মাস ৫০ লাখ ডোজ করে আসবে। তবে অন্যান্য উৎস থেকে টিকা আনার ক্ষেত্রেও সমান তৎপর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। তাছাড়া টিকা আসতে শুরু করলেও চলতি বছরেই সবার টিকা নিশ্চিত সম্ভব হবে না।
যুক্তরাজ্যের পর অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকায় ইতিবাচক সায় দিল ভারতও। আর এই টিকার তিন কোটি ডোজ পেতে এরই মধ্যে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। যা দেশে সরবরাহ করবে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
দ্রুত টিকা আনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা জেনো না থাকে, তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানালেন নীতিনির্ধারকরা। আর চলতি মাসেই দেশে আসছে ভারত থেকে টিকার প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ। এরপর আগামী ৬ মাস প্রতি মাসে আসবে একই হারে টিকার ডোজ।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, আমি আশাবাদী জানুয়ারির আগেই আমরা ভ্যাকসিন পেয়ে যাবো। কাগজে কলমে আমাদের সব ওকে হয়ে গেছে। এ সপ্তাহে টাকাও চলে যাবে।
তবে সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্টাজেনেকার টিকার পাশাপাশি অন্যান্য টিকাগুলো হাতের নাগালে পেতে যেন তৎপরতার ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিতের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
করোনা মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, আরও ছয় থেকে সাত কোটি ভ্যাকসিন অন্যান্য সোর্স থেকে সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আমরা ধাপে ধাপে সব সময়ই যাতে ভ্যাকসিন প্রয়োগের ওপর থাকতে পারি, সেভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। অনিয়ম যাতে না হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা আসতে শুরু করলেও চলতি বছরেই সবার টিকা নিশ্চিত সম্ভব হবে না। তাই টিকা এলে যেন স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক সুরক্ষায় কোনো ঢিলেমি না আসে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান।