ads
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

চাঁদাবাজির মামলার ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

সৃষ্টিবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  • ৬৫ বার পঠিত

চাঁদাবাজির মামলার ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

চাঁদাবাজির মামলায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ২৮ আগস্ট বুধবার দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে শেরপুরের শ্রীবরদী জিআর আমলী আদালতের বিচারক মো. নূর-ই-জাহিদ ওই রায় দেন।
এর আগে গত ২২ আগস্ট শ্রীবরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন মো. আরমান খন্দকার নামের এক যুবক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শহিদুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভেলুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম নানা সময়ে সরকারি টিউবওয়েল, বয়স্ক ভাতার কার্ড, মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড সহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা প্রদানের জন্য বিভিন্ন মানুষের কাছে অগ্রিম টাকা গ্রহন করে। কিন্তু কার্ড না দেয়ায় পরেও এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পেতো না। তবে বর্তমান সরকার শ্রীবরদী উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সরিয়ে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের খবর পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। এর জের ধরে লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যান কাছে টাকার দাবিতে আন্দোলন করে।

এ ঘটনায় আরমান খন্দকার নামে এক যুবককে উস্কানিদাতা হিসেবে ধারনা করে তার মাছের প্রজেক্টে হামলা ও লুটপাট করে এবং দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন চেয়ারম্যান আব্দুল করিম। এসময় চেয়ারম্যানের লোকজনের হামলায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে এ ঘটনায় ২২ আগস্ট শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করে আরমান খন্দকার। যার নাম্বার-৬। পরবর্তীতে আদালতে হাজির হলে কারাগারে পাঠায় আদালত।

মামলার বাদী মো. আরমান খন্দকার বলেন, চেয়ারম্যান অত্যন্ত নিম্ন মনের একজন মানুষ। সাধারণ গরিবকে ঠকিয়ে সে টাকা পাহাড় করেছে। দুস্তদের সকল সুবিধা সে টাকার বিনিময়ে করেছে। আমার কাছে সে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। আমার মৎস প্রজেক্ট ভাঙচুর করেছে। আদালত তাকে জামিন না দেওয়ায় আমি খুব খুশি হয়েছি। আশা করি আমি ন্যায়বিচার পাবো।

শেরপুর কোর্ট পরিদর্শক খন্দকার শহিদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে আব্দুল করিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102