সাতক্ষীরায় চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে এক এসএসসি পরীক্ষার্থিনীকে চারদিন ধরে ধর্ষণ করা হয়েছে। এতে ক্ষোভে ও দুঃখে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ওই পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার রাতে সাতক্ষীরা শহরের কাঠিয়া এলাকার চাচা মুনছুর আলির বাড়ি থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত সাইমুন ইয়াসমিন সাতক্ষীরা শহরের কাঠিয়া আজিজুর রহমানের মেয়ে। সে শহরের নবারুন গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন।
সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান বলেন, গত ৩রা মে সাতক্ষীরা শহরতলীর ইটাগাছার বনলতা হাউজিং কমপ্লেক্স এলাকায় এক সময়কার সহপাঠীর বাড়িতে যায় ওই শিক্ষার্থী। এ সময় তার পূর্ব পরিচিত জেলার শ্যামনগর উপজেলার খলিসাবুনিয়া গ্রামের হৃদয় হোসেন (২১) চেতনানাশক স্প্রে করে তাকে ধর্ষণ করে। একইভাবে গত ৭ই মে সন্ধ্যার পর বাড়ির পেছনে এক নারীর সহযোগিতায় গোয়ালঘরে হৃদয় হোসেন তাকে ধর্ষণ করে বলেও অভিযোগ রয়েছে। চার দিনের ব্যবধানে ওই মেয়ে দুইবার ধর্ষিত হয়েছে এমন অভিযোগে তার বাবা আজিজুর রহমান বাদী হয়ে ৯ই মে সাতক্ষীরা সদর থানায় হৃদয় হোসেন ও দুই নারীর নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ১০ই মে মেয়েটি সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম ইয়াসমিন নাহারের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। একই দিনে সদর হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।
তবে সাতক্ষীরা সদর থানার ইন্সপেক্টর গোলাম কবির বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।