ads
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

চেরনোবিল দুর্ঘটনার ৩৫ বছর, দুধে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয়তা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৫ বার পঠিত

ইউক্রেনে মর্মান্তিক চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর সেখানে উৎপাদিত তরল দুধে যে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয়তা দেখা দিয়েছিল, ৩৫ বছর পরও তা বিদ্যমান। সেখানে অনেক গ্রামেই স্থানীয় গবাদিপশুর দুধে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে এখনো কমপক্ষে পাঁচগুণ বেশি।

সম্প্রতি ইউক্রেনিয়ান ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারাল রেডিওলোজী ও ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের গ্রিনপিস রিসার্চ ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের এক যৌথ গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। চেরনোবিল থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রিভনে অঞ্চলের বেসরকারি খামার ও বাড়ির গরুর দুধের নমুনা সংগ্রহ করে এ গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, এ অঞ্চলে গরুর দুধে রেডিওঅ্যাকটিভ সিসিয়ামের পরিমাণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ মাত্রার চেয়ে ১২ গুণ বেশি।

ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের গ্রিনপিস রিসার্চ ল্যাবরেটরিসের গবেষক পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলের আশেপাশে অনেকেই দুগ্ধ উৎপাদনের সাথে জড়িত। তাদের উৎপাদিত দুধের প্রধান ভোক্তা হচ্ছে শিশুরা। কিন্তু সেখানে দুধ ও অন্যান্য খাবারে তেজস্ক্রিয় সিসিয়াম নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এ মাত্রা এতটাই বেশি যে, তেজস্ক্রিয়তার কারণে মানব শরীরের প্রতিটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

শীঘ্রই কোন ধরণের পদক্ষেপ না নেয়া হলে অন্তত ২০৪০ সাল পর্যন্ত দুধে তেজস্ক্রিয় দূষণের ভয়াবহতা বজায় থাকবে বলে গবেষকরা আশঙ্কা করছেন।

উল্লেখ্য, চেরনোবিলের বিপর্যয় হলো ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ঘটা একটি পারমানবিক দুর্ঘটনা। একে ধরে নেওয়া হয় স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা। এ দুর্ঘটনার কারণে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ছিল ছয় লক্ষ শিশু।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার ফলে ২০০ বিলিয়ন ডলারের সমমান ক্ষতি হয়েছিল। বর্তমানে চেরনোবিল শহরটি পরিত্যক্ত এবং প্রায় ৫০ মাইল এলাকা জুড়ে বলতে গেলে কেউ বাস করে না।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102