ঢাকার ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে বারবাড়িয়া হাটের শতবর্ষী একটি বটগাছের ডাল কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তার বাঁধা উপেক্ষা করে বটগাছের বড় দুটি ডালা কেটে ফেলা হয়েছে।
গাঙ্গুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের মোল্লা তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ পুরোটাই অস্বীকার করেছেন। তবে গাছকাটা শ্রমিক ও এলাকাবাসী জানান, চেয়ারম্যানের নির্দেশেই ওই গাছ কাটা শুরু হয়।
সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের মোল্লা বৃহস্পতিবার সকালে গাছটি কেটে ফেলার জন্য পাঁচজন শ্রমিক নিয়োগ করেন। স্থানীয় লোকজনের সামনেই ওই ইউপি চেয়ারম্যান শ্রমিকদের প্রথমে ডালপালা ও পরে গাছের গোঁড়ার অংশ কেটে ফেলার নির্দেশ দেন।
গাছকাটার খবর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মোতালিব আল মমিনকে অবহিত করা হলে তিনি লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা ১১টার দিকে বটগাছটি কাটায় বাঁধা দেন। তারা চলে গেলে গাছের বড় দুটি ডালা কেটে ফেলা হয়েছে।
বারবাড়িয়া হাট কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেন বলেন, আমি গাছ কাটার বিষয় জানি না। বটগাছ কাটতে কাউকে কোনো নির্দেশ দেইনি। হয়তো চেয়ারম্যান এটি কাউকে কাটতে বলতে পারেন। তবে আমার বিষয়টি জানা নেই।
বিষয়টি নিয়ে জানতে গাংগুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাদের মোল্লা নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তিনি বলেন, বটগাছ কাটা হয়নি। ঘর মেরামত করার জন্য ডাল কাটা হচ্ছে।
ধামরাই উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মোতালিব আল-মোমিন বলেন, হাটের বটগাছ বন বিভাগের সম্পত্তি। বারবাড়িয়া হাটের বটগাছটি কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। এটি কাটার কোনো আবেদনও পাইনি।