জনদৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতেই ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বু্ধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আজ মতিঝিল এলাকায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের উদ্যোগে প্রচারপত্র বিলি করার সময় বিনা উস্কানিতে গত নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিএনপির এই নেতাকে গ্রেপ্তার সম্পূর্ণরূপে কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক। সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনের আশঙ্কায় ইশরাক হোসেনের মতো বিএনপির তরুণ নেতাকে আটক করা শুরু হয়েছে। সরকার নিজেদের সকল ব্যর্থতা ঢাকতে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেইজন্য জনদৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘আমি ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।’
রাজধানীবাসীর জন্য এখন আরেক আতঙ্কের নাম ডায়রিয়া উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, করোনা মহামারির প্রকোপ কমলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া। প্রতি মিনিটে ১ জন এবং প্রতিদিন হাজারেরও বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন অভিভাবক মহল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়াসার দূষিত পানির কারণে এই ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
আমার বাসার পানিতেও দুর্গন্ধ আছে- ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ কথা বলার পরেও তিনি নির্লজ্জভাবে চেয়ার আঁকড়ে রেখেছেন। ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ১৪ বার পানির দাম বাড়িয়েছেন, আর এই সময়ের মধ্যে নিজের বেতন ভাতা বাড়িয়েছেন ৪২১ শতাংশ। এখন তিনি বেতন-ভাতা পান মাসে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
তিনি বলেন, ‘এই এমডির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে, তিনি পানির দাম ও নিজের বেতন পাল্লা দিয়ে বাড়াতে পারেন। কিন্তু তিনি দূষিত পানি বিশুদ্ধ করতে পারেননি।’