ads
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ঝরে পড়ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুন, ২০২২
  • ২৬ বার পঠিত

করোনা শুধু মানুষের জীবন নয়, জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষারও মৃত্যু ঘটিয়েছে। করোনার থাবায় অচল হয়ে পড়েছে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। করোনাকাল শেষ হয়ে স্বাভাবিক জীবন শুরু হলেও ফেরেনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঝরে পড়া এসব শিক্ষার্থীদের ফেরাতে কোনো উদ্যোগ নিতেও দেখা যাচ্ছে না শিক্ষকদের। ফলে কোনো কোনো ক্লাশ শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে তৃতীয়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী শূন্য। কোনো কোনো স্কুলের ক্লাসে তিনজন বা চারজন শিক্ষার্থী রয়েছে।

সরেজমিন উপজেলার গামারীতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কিছু শিক্ষার্থী থাকলেও তৃতীয় ও চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, পাশেই মাদ্রাসা থাকায় সব শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় চলে গেছে। একই চিত্র সোহাগীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আঠাম মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে তিনজন বা চারজন শিক্ষার্থী রয়েছে।

অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ঠিকমতো পড়ালেখা হয় না, তাই শিশুদের কিন্ডারগার্টেন এবং মাদ্রাসায় দিয়ে দিচ্ছেন।

তবে শিক্ষকরা জানান, বিস্কুট দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা কম আসে। তবে কোনো কোনো স্কুলে শিক্ষকরা শিশুদের স্কুলে ফেরাতে চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে সফলও হচ্ছেন।

মনসাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রায়কান্দুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী রয়েছে।

রায়কান্দুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস সুলতানা জানান, তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বুঝিয়ে স্কুলে ফেরান।

অভিভাবকদের অভিযোগ- শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসেন না এবং পড়ালেখার মান খুব খারাপ।

উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, ধোবাউড়ায় মোট ৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জহির উদ্দিন বলেন, যারা নিয়মিত স্কুলে যায় না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে শিক্ষকদের সঙ্গে মিটিং করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলেছি, যদি ৪০ ভাগ শিক্ষার্থী স্কুলে না থাকে তাহলে স্কুল থাকবে না। করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার সংসদ টেলিভিশন, বেতার ও অনলাইনে ক্লাশ নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। তবে অনেক শিক্ষার্থী এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী, ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ও দূরশিক্ষণ তথা বেতার, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়া পাঠদানের আওতায় এসেছে। তার মানে ৬৯ শতাংশ শিক্ষার্থী সংসদ টেলিভিশন, বেতার ও অনলাইনে ক্লাশের সরকারি উদ্যোগের সুবিধা গ্রহণ করতে পারেনি। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার মতো অবহেলিত এলাকায় তো আরও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

#যুগান্তর

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102