মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের বেশাইনখান বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহ আলম একই ইউনিয়নের স্থানসিংহপুর গ্রামের মৃত খালেক হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত স্থানীয় শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচিত হন শাহ আলম। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে নির্বাচনের প্রতিপক্ষের লোকজন বেশাইনখান বাজারের সামনে তার ছেলে রাকিব ওপর হামলা করে। এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা শাহ আলমকেও মারধর করে। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে রাকিবের অভিযোগ, একই বাড়ির তার চাচা সম্পর্কে মামুন, নিলু ও হিরু কদিন আগে থেকেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। নির্বাচনে হেরে পরদিন সন্ধ্যায় বাড়ির কাছে মহড়া দেন তারা। রাতে মামুন, নিলু ও হিরুর নির্দেশে একই এলাকার সয়সাল, রাসেল ও রানাসহ আরও কয়েকজন তারাবির নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তার (রাকিব) ওপর হামালা চালায়। এ সময় বাবা শাহ আলম ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তিনি মারা যান।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক এস কে বড়াল জানান, শাহ আলমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের আগে আনুমান করা যাচ্ছে না।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান জানায়, মরদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।