টাঙ্গাইলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার। মার্চের শেষ সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের হার দুই শতাংশ থাকলেও তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে। চিকিৎসকরা বলছেন, নিজে থেকে সচেতন না হলে করোনা বিপর্যয় ঠেকানো কঠিন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিট। করোনা সন্দেহে ভর্তি ও আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে অবাধে মেলামেশা করছেন স্বজনরা।
এ চিত্র জেলার সবখানে। করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের ঝুঁকি আমলেই নিচ্ছেন না তারা। স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়ে দিচ্ছেন নানা অজুহাত।
স্বজন, রোগী ও বহিরাগতরা বলেন,’গেটে কেউ বাধা দেয়নি। তাই ঢুকেছি। যে অবস্থা, এখানে থাকা ঠিক না। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে থাকতে হচ্ছে।’
করোনার ভয়াবহ বিপর্যয় এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান হাসপাতাল পরিচালকের। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন,’সরাকার নিধারিত যে নির্দেশনা, সে বিষয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী করতে হবে। সোস্যাল ডিসটেন্সিং মেইনটেন করতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। এগুলো করলেই কিন্তু আমরা অনেকাংশে মুক্ত হতে পারবো।’
করোনার নতুন ধরনটির সংক্রমিত করার ক্ষমতা বেশি। সচেতন না হলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে বলে জানান সিভিল সার্জন। টাঙ্গাইল জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম সাহাবুদ্দিন খান বলেন,’এবারের যে স্ট্রেইনটা সেটার সংক্রমণ করার ক্ষমতা বেশি। এ কারণে সংক্রমণের হার বেশি। যদি মানুষ সচেতন না হয় তবে এটা কন্ট্রোলের বাইরে চলে যেতে পারে।’
গেল তিনদিনে জেলায় ৭৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।