সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় রমজানে তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য নিযুক্ত ইমামের বেতন তোলা নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছে আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
শুক্রবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চকমনোহরপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম খোরশেদ আলম (৬৫)। তিনি উপজেলার চকমনোহরপুর গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চকমনোহরপুর গ্রামের আকতার হোসেন গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের খোরশেদ গ্রুপের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তারাবি নামাজ পড়ানো ইমামের টাকা তোলা নিয়ে তাদের দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আকতার গ্রুপের লোকজন অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে খোরশেদ আলম ঘটনাস্থলেই গুরুত্বর আহত হয়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আহত খোরশেদ আলমকে চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খোরশেদ আলম
সলঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য নিযুক্ত ইমামের বেতনের টাকা তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে খোরশেদ আলম গুরুত্বর আহত হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে নিহত খোরশেদ আলমের স্ত্রী মঞ্জুআরা খাতুন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ্য করে সলঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।