করোনার কারণে দেরিতে হলেও এমাসেই চালু করতে চায় বাফুফে, তবে ফুটবল কর্তারা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি অর্থ যোগানের উৎস। বাফুফের একাডেমি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে শেষ পর্ব।
চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি নির্বাচিত হয়েই কাজী সালাউদ্দিন একাডেমি গড়ার কাজে নামেন বছরের শুরু থেকেই। খোঁজা হয় অবাসনের জন্য ভবন।
সুবিধাজনক জায়গা না পেয়ে শেষপর্যন্ত বাফুফে দারস্থ হয় ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। ঠিক হয় কমলাপুর স্টেডিয়মেই হবে একাডেমি। সবুজ সংকেতও মেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। শুরু হয় পরিকল্পনা, একাডেমি হবে আন্তর্জাতিক মানের।
এজন্য খেলোয়াড় বাছাইয়ের কাজও শেষ করেছে বাফুফে। কমলাপুর স্টেডিয়ামে ডরমেটরি প্রস্তুত করে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যেখানে ৬০ থেকে ৮০ জনের ফুটবল প্রশিক্ষণ সুবিধা থেকে শুরু করে পড়াশুনার ব্যবস্থাও।
সরকারের সহযোগিতায় একাডেমির অবকাঠামোগত বাধা দুর হলেও অর্থের যোগান কিভাবে হবে জানা নেই বাফুফের। আর তা নিশ্চিত হলে বাফুফে সভাপতি শিগগিরই হবেন মিডিয়ার মুখোমুখি।