তৃতীয় দিনের খেলা শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮৩ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে অলআউট করেও শান্তিতে থাকতে পারেনি টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পাক পেসারদের তোপে পড়ে ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। আবারও ব্যর্থ হয় টাইগারদের টপ অর্ডার। ফিরে গেছেন সাদমান, শান্ত, মুমিনুল ও সাইফ। উইকেটে রয়েছে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ১২ রানে ও অভিষিক্ত ইয়াসির আলী রয়েছেন ৮ রানে।
এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুতেই পাক শিবিরে আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। আগের দিনের ১৪৫ রানের সঙ্গে একরান যোগ করতেই জোড়া উইকেট হারায় তারা। ফিরে যান অভিষিক্ত শফিক ও অভিজ্ঞ আজহার আলী। শফিক আগের দিনের রানের সঙ্গে কোনও রান যোগ করতে পারেননি। ১৬৬ বল থেকে করেন ৫২ রান। অভিজ্ঞ আজহার আলী রানের খাতা খোলার আগেই তাইজুলের বলে আউট হয়ে ফেরেন। দলীয় রান তখন ১৪৬।
দলীয় ১৬৯ রানে পাক অধিনায়ক বাবর আজমকে ফেরান মিরাজ। এরপর ১৮২ রানে ফিরে যান ফাওয়াদ আলম। এবারও বোলার তাইজুল। দলীয় ২০৭ রানে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে এলবির ফাঁদে ফেলেন এবাদত হোসেন। রিজওয়ানের বিদায়ের ১০ রান পর বিদায় নেন একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলী। দলীয় ২১৭ রানে তাকে এলবির ফাঁদে ফেলেন তাইজুল। তার আগে অবশ্য আবিদ ২৮২ বলে ১২ চার ও ২ ছয়ে ১৩৩ রান করেন।
আবিদের বিদায়ের পর আরো বিপদে পড়ে ম্যান ইন গ্রিনরা। দলীয় ২২৯ রানে সপ্তম উইকেট হিসেবে বিদায় নেন হাসান আলী। ম্যাচে এটি ছিল তাইজুলের পঞ্চম শিকার। অষ্টম উইকেট হিসেবে সাজিদ খানকে বোল্ড করে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন এবাদত। নবম উইকেটে নোমান আলীকে এলবির ফাঁদে ফেলেন ম্যাচে ৬ষ্ঠ শিকার নেন তাইজুল। দলীয় রান তখন ২৫৭। দশম উইকেটে ফাহিম আশরাফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি ২৯ রান করলে পাকিস্তানের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ২৮৬ রানে। এরপর ম্যাচের ৭ম শিকার হিসেবে ফাহিম আশরাফকে ফেরত পাঠান তাইজুল।
ইনিংসে সাত উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে রফিককে পেছনে ফেলেন তাইজুল। সেই সঙ্গে নবম বাংলাদেশি হিসেব ১৫০ উইকেট শিকারির ক্লাবে প্রবেশ করেন তিনি। বর্তমানে তার উইকেট সংখ্যা ১৫৪টি।
এর আগে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীমের ৯১ রানের কল্যাণে বাংলাদেশ ৩৩০ রান সংগ্রহ করেন।