মামলার সাত মাস পেরিয়ে গেলেও, দুই শিশু সন্তান হত্যার বিচার পাচ্ছেন না সোনিয়া বেগম। সাবেক স্বামী ও তার বর্তমান স্ত্রী মিলে তার দুই সন্তানকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ সোনিয়া বেগমের। গেল বছর মুরাদনগর থানায় মামলা করেন সোনিয়া।
পরে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়ায় অভিযোগপত্র দিতে পারছে না পিবিআই। কুমিল্লার মুরাদনগরে গেল বছরের মে মাসের ঘটনা। সোনিয়া বেগম তার দুই সন্তান স্বর্ণা ও ফারিয়ার মরদেহ খুঁজে পান একটি ডোবায়।
সোনিয়া বেগমের অভিযোগ, সাবেক স্বামী সুমন মিয়া ও তার বর্তমান স্ত্রী রুনা বেগম তার দুই মেয়েকে হত্যা করেছে। সে সময় সুমন মিয়া ও রুনা বেগমকে আসামি করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন সোনিয়া বেগম। কিন্তু আট মাসেও নেই মামলার অগ্রগতি।
চার্জশিট তো পরের বিষয়, ময়না তদন্তের রিপোর্ট নিয়েই অনিশ্চয়তায় সোনিয়া বেগম। সোনিয়া বেগম বলেন,’আমাদের একটাই সান্তনা দিচ্ছে পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট পেলেই নাকি বিচার পাবো। তবে কবে রিপোর্ট আসবে সে বিষয়ে এখনও কিছু বলছে ন।’
আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ সোনিয়া বেগমের। এ কারণে ভয়ে গ্রামেও যেতে পারছে না তার পরিবার।
তদন্ত কর্মকর্তা বলছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়ায় চার্জশিট দিতে দেরি হচ্ছে। পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান,’হত্যা করা হয়েছে নাকি পানিতে পড়ে মারা গেছে, রিপোর্ট হাতে পেলে আমরা কনফার্ম হবো।’
একই অভিযোগ সোনিয়া বেগমের আইনজীবীরও। বাদী পক্ষের আইনজীবী নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন,’অভিযোগ আছে। রিপোর্ট আসার পর আমরা বলতে পারবো।’
দুই কন্যা হারিয়ে এখন ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় সোনিয়া রেগম।