ads
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

দেশে কিডনি বিকল শিশু রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত

দেশে কিডনি বিকল শিশু রোগীর সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। অথচ অনেকে জানেনই না কিডনিতে ত্রুটি নিয়েই শিশুরা জন্মগ্রহণ করতে পারে। জন্মের শুরুতেই ডায়ালাইসিসসহ চিকিৎসার নানা খরচ মেটাতে সর্বস্বান্ত হচ্ছে বহু পরিবার। তাই প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকেই বেশি জোর দিতে বললেন বিশেষজ্ঞরা।

মায়ের গর্ভেই গালিব কিডনি রোগে আক্রান্ত হলেও আলট্রাসনোগ্রামে ধরতে পারেননি চিকিৎসক। সন্তান জন্মের পর দু’দফা চিকিৎসকের সান্নিধ্যে এলেও কেউ বলেননি তার অসুস্থতার কথা। সাড়ে ৮ মাস বয়সে লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসার পর জানা গেল গালিবের কিডনি বিকল। চিকিৎসকের সঠিক পর্যবেক্ষণের অভাবে সপ্তাহে দু’বার ডায়ালাইসিসের ঘানি টানছেন এখন গালিবের মা।

শিশুরা জন্মের আগে এবং পরে নানা কারণে কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারে এই খবর জানেন না সিংহভাগ ভুক্তভোগীর পরিবার। আক্রান্ত হওয়ার পর যারা জানছেন, তাদের বেশির ভাগই নানা বাস্তবতায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

রাশিদুল হাসান নামে এক অভিভাবক জানান, প্রস্রাবটা বন্ধ হয়ে শরীল ফুলে। মাঝে মাঝে ডায়রিয়া দেখা দেয়।

প্রতিদিন গড়ে ১২ জন শিশু কিশোরের ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত ১৩ জনের কিডনি সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এদের ১১ জনকে মা, বাকি ২ জনকে বাবা ও চাচা কিডনি দান করেছেন। তবে বিএসএমএমইউএর গবেষণা বলছে, ঝুঁকি না থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সন্তানকে কিডনি দানে মায়েদের নিরুৎসাহিত করে থাকেন বাবারা।

কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ বলেন, যখন একটি কিডনি দান করে দেয়া হয়। তখন ছয় মাস পর একটি টেস্ট করে দেখা যায় তার কিডনি কার্যক্ষমতা আগের থেকে অনেক বেড়ে গেছে।

তবে কিডনি রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের কাছে আসা সব শিশুকে সতর্ক দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. গোলাম মাঈনুদ্দিন বলেন, মূত্রনালি বা পথে কোনো সমস্যা থাকলে ওইগুলো থেকে বারবার ইনফেকশন হয়। তখন আমরা কি কারণে ইনফেকশন হয়; সেগুলো বুঝার চেষ্টা করি। আবার কোনো ক্ষেত্রে এটার সার্জারিও লাগে। পরে ভালো হয়ে যায়।

দেশে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ শিশু কিডনি রোগে আক্রান্ত যাদের ২০ থেকে ২৫ হাজারের কিডনি বিকল হয়েছে। কেবল কিডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমেই এদের সুস্থ জীবনে ফেরানো সম্ভব বলে মত চিকিৎসকদের।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102