ধরিত্রীকে বাঁচাতে জাতিসংঘের ক্লাইমেট অ্যাকশন সভায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু হুমকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য তহবিল গঠনের আহ্বানও জানান তিনি। এসময় পরবর্তী শতকের ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজের অগ্রগতি ও নমুনাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। করোনার কারণে এবারের অধিবেশন হচ্ছে অনলাইনে।
দিনদিন বাড়ছে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা। আর সমুদ্রপৃষ্ঠে উপচে উঠছে পানির উচ্চতা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের উপকূলবর্তী অনেক দেশ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশও যার ভুক্তভোগী হবার সম্ভাবনা। একারণে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিশ্বের অন্য সব দেশের মতো বাংলাদেশও চিন্তিত।
যা আরও স্পষ্ট হয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে। জাতিসংঘের ৭৫তম সাধারণ অধিবেশনের হাই লেভেল রাউন্ডটেবল অন ক্লাইমেট অ্যাকশন শীর্ষক সভায় অংশ নিয়ে সরকার প্রধান তুলে ধরেন, জলবায়ু সংকট ও মোকাবিলায় ভবিষ্যতের কর্মপন্থা। এসময় ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ নিয়ে কাজের অগ্রগতি ও নমুনাও তুলে ধরেন তিনি।
বর্তমানে বাংলাদেশ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে, স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। আরও বলেন, সম্প্রতি ঢাকাতে গ্লোবাল সেন্টার ফর অ্যাডাপটেশনসের আঞ্চলিক কেন্দ্রও খোলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় দায়বদ্ধ থাকার কারণেই বাংলাদেশ আরইএপি কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে। যার লক্ষ্য ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বের একশ কোটি মানুষকে দুর্যোগের হাত থেকে নিরাপদে রাখা।