যশোরের অভয়নগরে নাঈমা খাতুন (৮) নামে এক দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আমজাদ মোল্লা নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। এর আগে রোববার (৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১১ টার সময় উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ধলিয়ার বিলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোসলেম উদ্দিনের পরিত্যক্ত ডোবার কচুরিপানার ভেতর থেকে নাঈমা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত শিশুর বাবা মনিরুল বিশ্বাস বাদী হয়ে আমজাদ মোল্লাকে আসামি করে অভয়নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।
আমজাদ মোল্লা উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত কোরাইশ মোল্যার ছেলে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আমার মেয়ে নাঈমা প্রতিবেশী মৎস্যঘের কর্মচারী আমজাদকে বন্ধু বলে ডাকত। রোববার বিকেলে আমজাদের মৎস্যঘেরে খেলা করতে যাচ্ছে বলে বেরিয়ে যায়। সন্ধ্যায় আর বাড়ি ফিরে না এলে আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত ১১ টার দিকে আমজাদের মৎস্যঘেরের পাশে মোসলেম উদ্দিনের ডোবার কচুরিপানার ভেতর থেকে নাঈমার একটি হাত দেখতে পাই। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আমার একমাত্র মেয়েকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে খুন করে তার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে কচুরিপানার ভেতর লুকিয়ে রাখা হয় বলে উল্লেখ করা হয়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম শামীম হাসান বলেন. সোমবার রাতে নাঈমার বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের পর হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে আমজাদ মোল্লার নামে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।