শেরপুর প্রতিনিধি; শেরপুরের নকলা পৌর শহরের বিল্ডিং কোড না মেনে এবং আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে পাশর্^বর্তীর বসতঘরের সীমানার ভিতর ঢুকে সীমানা প্রাচীর ও বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে নকলা পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ওমর আলীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগির অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবত পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিতে বসতবাড়ি করে থাকছে আঞ্জুয়ারা বেগম শাপলা ও তার পরিবার। তার বসতবাড়ির পাশে ওই অভিযুক্ত শিক্ষকের জমি থাকায় তিনি বার বার দখলের চেষ্টা করছে। এমনকি উচ্ছেদেরও হুমকি দিয়ে আসছে প্রতিনিয়ত। ইতোমধ্যে সীমানার খুঁটি উঠিয়ে দখলে নিয়ে ভবন তৈরির কাজ শুরু করেছেন। বাঁধা দিতে গেলে ওই শিক্ষক ও তার লোকজন শাপলা বেগমকে তিন দফায় মারধর করেন। এনিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে কোন সমাধান না পেয়ে আদালতের আশ্রয় নেন। পরে ২০১৮ সালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৪৬/২০১৮ নং মোকাদ্দমা দায়ের করলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর নালিশি ভূমি দখলে আছে কিনা তার দেখার জন্য সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নকলা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি উপসাহ কর্মকর্তা নকলা সদর ইউনিয়ন ভূমি তদন্তে গিয়ে স্থানীয় নিরপেক্ষ লোকদের সাথে কথা বলে নালিশি (বিআরএস) ৭৯০ দাগের ভূমি সেই অভিযোগকারীর দখলে আছেন। পরে তদন্তকারীগণ প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীগণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আদেশ করেন। মামলাটি এখনো বিচারাধীন থাকার পরও তা অমান্য করে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন অভিযুক্ত শিক্ষক উমর আলী মাষ্টার, কাজল রেখা ও রফিকুল ইসলাম আর্মি। এমনকি মানছে না বিল্ডিং কোডও।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ওমর আলী জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আমি আমার সীমানার মধ্যেই আছি।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করা কোনভাবেই যাবে না। যদি অমান্য করে থাকে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।