ads
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

না খেয়ে মানুষ মরেছে প্রমাণ দিলে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব : কৃষিমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৭ বার পঠিত

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কেউ না খেয়ে মরেছে এমন প্রমাণ দিতে পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে মানিকগঞ্জ ঘিওর উপজেলায় বানিয়াজুরী এলাকায় ‘ব্রিধান ৯২’ জাতের বীজ উৎপাদনকারী ব্লকের কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপির শাসনামলে তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল। ২০০৩ ও ২০০৪ সালে শত শত মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। আর বর্তমান সরকারের আমলে একজন মানুষ না খেয়ে মারা গেছে, যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে আমি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের আমাদের গড় জমি ছিল ২৮ শতাংশ। এখন তা দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশ। আগে খাদ্যের ঘাটতি থাকলেও এখন নেই। আমাদের বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে ধানের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করায় এটা সম্ভব হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আমরা যদি কৃষির উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে। কারণ কৃষির ওপর দাঁড়িয়ে সকল উন্নয়ন হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা চাকরি করবে তাদের এতো কষ্ট করতে হবে না।

ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, বোরো আমাদের মূল ফসল ও খাদ্য চাল। এই চালের বেশি উৎপাদন হয় বোরো থেকে। আমরা প্রায় ২ কোটি টনের মতো বোরো উৎপাদন করি। অনেকগুলো নতুন জাত উদ্ভাবন করেছি। সেগুলোর উৎপাদনশীলতা অন্য জাতের চেয়ে অনেক বেশি। যত দ্রুত এসব জাত মাঠে নেওয়া যাবে, ততই আমরা লাভবান হবো। এই ‘ব্রিধান ৯২’ প্রতি শতকে ১ মণ করে ফসল হয়। আগে যেখানে বিঘায় ৫ থেকে ৭ মণ ধান হতো, এখন নতুন এই জাতে প্রায় ৩৩ মণের মতো ধান পাবে কৃষকরা।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যদি কৃষিকাজ না হয়, তাহলে দেশ টিকবে না। যুদ্ধের কারণে ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে গম আসছে না। ইতোমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুর্ভিক্ষ হাতছানি দিচ্ছে। কাজেই কৃষি স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকতে হবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শুধু তেল আমদানি করার জন্য আমাদের প্রতিবছর খরচ করতে হয় ২৪ হাজার কোটি টাকা। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ আর করোনার কারণে এখন তেলের দাম বেশি। কারণ বিদেশ থেকে তেল আসছে না। যে তেল ছিল ৬শ ডলার টন, সেই তেল এখন টন প্রতি ২ হাজার ডলার খরচ করতে হয়। সঙ্গে জাহাজের ভাড়াতো আছেই।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবির, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খাঁন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী আব্দুস সালাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহসহ স্থানীয় কৃষকরা।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102