নিখোঁজের ১৮ দিন পর রাব্বি(২১) নামে এক যুবকের হাত-পা বাধা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের ১৮ দিন পর রবিবার বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জে হযরতপুর থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
নিহত রাব্বি সাভারের হেমায়েতপুর জয়নাবাড়ী এলাকায় হোসেন হাজীর ভাড়া বাড়ীতে স্বপরিবারে থাকতেন। সে ভোলার লালমোহন থানার গনেশপুর গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে।
নিহতের বাবা নূর হোসেন জানান, গত ২৬শে নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ৩ টায় একই এলাকার ভাড়াটিয়া রাসেল তার ছেলে (রাব্বিকে) বাসা থেকে ডেকে তার ছোট বউয়ের বাসায় নিয়ে যায়। ওই রাতে রাব্বি বাসায় না ফিরলে পর দিন ২৭শে নভেম্বর (শুক্রবার) রাসেলের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়। এ ঘটনার তিনদিন পর পুলিশ একটি অপহরণ মামলা রুজু করে। পরে মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর পর গত ১২ই ডিসেম্বর রাতে এক আত্মীয়ের বাড়ী থেকে রাসেলকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় এ মামলার আসামি রাসেলের বাবা শাহজাহানকে (৬০) আটক করেলও মামুন (২৫) পলাতক রয়েছ।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হাসান জানান, নিহত রাব্বির পিতা একজন বিকাশ ব্যবসায়ী। পাশের দোকানদার রাসেল পরিকল্পিত ভাবে তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তার চতুর্থ স্ত্রীর ভাড়া বাসায় প্রথমে রাব্বিকে ঘুমের ঔষধ খায়িয়ে অচেতন করে। পরে সে জেগে উঠলে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তারা। মুলত বিকাশ ব্যবসায়ী বাবার টাকা হাতিয়ে নিতেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে জানায় ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা। পালাতক আসামি মামুনকে আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানায় পুলিশ।