ads
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

নেপালের শ্মশানে দায়িত্বরতদের আতঙ্ক

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ মে, ২০২১
  • ৩৯ বার পঠিত

নেপালে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দেহ দাহ করা হয় শ্মশানে। সেখানে যারা দায়িত্ব পালন করেন, এখন ভয় তাদেরকে নিয়ে। একে একে তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এরই মধ্যে ১৬ জন কর্মীর মধ্যে ৯ জনের দেহে পাওয়া গেছে করোনা ভাইরাস। বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে সবাইকে। এমনই একজন কর্মী কুমার থাপা। বক্তারপুরের সিরুতায় বসবাস তার। সেখান থেকে প্রতিদিন অফিসে যান তিনি।

ঘরে রেখে যান স্ত্রী কাঁচি থাপা মাগার’কে। তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনায় থাকেন, তার স্বামী যেন করোনা ভাইরাস বহন করে না ফেরেন। কুমার থাপার বয়স ৫৭ বছর। তিনি পুষ্পপতি এলাকায় বৈদ্যুতিক চুল্লিতে দাহ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অন্যতম। ২০১৬ সাল থেকে বৈদ্যুতিক এই দাহস্থান পরিচালনা করে আসছে পুষ্পপতি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্প। কাঠমান্ডু উপত্যকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের দেহ দাহ করার এটাই একমাত্র স্থান। কুমার থাপা বলেন, প্রতিদিন দাহ করতে কমপক্ষে ১৫টি মৃতদেহ নেয়া হয় সেখানে। এসব মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাদেরকে দাহ করে ভগ্ন হৃদয়ে বাসায় ফিরে আসতে হয় তাকে। এই উপত্যকায় যেহেতু করোনা সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়ছে, তাই সামনের দিনগুলোতে আরো মৃতদেহ বৃদ্ধি পাবে। নেপাল সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, কাঠমান্ডু উপত্যকা এখন করোনা ভাইরাসের হটস্পট।

দেশে যে পরিমাণ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার মধ্যে শতকরা প্রায় ৬০ ভাগই এখানকার। গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৮৮ জন। শুক্রবার নাগাদ কাঠমান্ডু উপত্যকায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৯৯১ জন। এখন পর্যন্ত কাঠমা-ুতে করোনায় মারা গেছেন ২১২ জন। বক্তারপুর এবং ললিতপুরে মারা গেছেন যথাক্রমে ৬৩ ও ৫৮ জন।

বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়ায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের ইনচার্জ রাজু রেগমি বলেছেন, এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৬০০ মৃতদেহের দাহ করা হয়েছে এখানে। এসব মানুষ করোনায় মারা গিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, ২৪ শে মার্চ থেকে দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লির মধ্যে একটি সব সময় প্রস্তুত রাখতে হয়। এই চুল্লিতে দায়িত্ব পালন করেন ১৬ জন কর্মী। তাদের মধ্যে ৯ জনই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, আমিও নিজেকে আইসোলেট করেছি। মারাত্মক জ্বর ও মাথাব্যথা দেখা দিয়েছিল আমার। এখনও পরীক্ষার ফল পাইনি হাতে। তবে একদিন এই ভাইরাস আমাকে থাবা বসাবে এমনটাই মনে হয়। সপ্তাহের সাতদিনই এখানে কাজ করতে হয় স্টাফদের। সেক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে তাদেরকে ছুটি দিতে হয়। বৃহস্পতিবার এই চুল্লিতে দাহ করা হয়েছে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ২১ টি দেহ।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102